• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 16 July, 2026

হাওড়ার শ্যামপুরের কামদেবপুরে রথের দিনই স্নান করেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা

সকালে স্নান করার পর বিকেলে তাদের রথে চাপিয়ে মাসির বাড়ি পাঠানো হয়। এই বৈচিত্র্যময় রথযাত্রা গত ২০২০ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে শ্যামপুরের কামদেবপুর যোগাশ্রমে

হাওড়ার শ্যামপুরের কামদেবপুরে রথের দিনই স্নান করেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা

Photo: Representational Image

ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী রথের ১৫ দিন আগে জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রাদের স্নান যাত্রা করানো হয়। এই রীতিকে জগন্নাথের স্নানযাত্রা বলা হয়। আর  স্নানযাত্রার পরেই জগন্নাথের জ্বর হয়। এক পক্ষকাল জ্বর থাকার পর জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা রথে চড়ে মাসির বাড়ি যান। এ বিশ্বাস সকলের। কিন্তু হাওড়ার প্রত্যন্ত এলাকা শ্যামপুরের কামদেবপুরে জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা রথের দিনই স্নান করেন। সকালে স্নান করার পর বিকেলে তাদের রথে চাপিয়ে মাসির বাড়ি পাঠানো হয়। এই বৈচিত্র্যময় রথযাত্রা গত ২০২০ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে শ্যামপুরের কামদেবপুর যোগাশ্রমে ।

এছাড়া এখানে প্রথা অনুযায়ী  মাসির বাড়ি মোল্লাহাট ঘুরে রথের দিনই ফের ঘরে ফিরে আসে জগন্নাথ,বলরাম এবং সুভদ্রা। আবার ফিরতি পথে জগন্নাথ,বলরাম এবং সুভদ্রা পাশের গ্রাম কাঁটা নলি ঘোরেন।  বৈচিত্রপূর্ণ এই রথের অনুষ্ঠানে স্বাভাবিকভাবেই তিন গ্রামের মানুষ আনন্দে মেতে ওঠেন। কামদেবপুর গ্রাম্য যোগাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা যোগেশ ব্রহ্মচারী এবং বর্তমান সভাপতি মুরারি ব্রহ্মচারী  জানান,’এ হেন বিধি করা হয়েছে কিছুটা সীমাবদ্ধতার জন্যই। সাধারণত স্নানযাত্রার পর জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রাদের মন্দির বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু এখানে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা ছাড়াও যেহেতু একই মন্দিরে আরও দেবদেবী রয়েছেন তাই মন্দির বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে।’  এই ব্যবস্থা মেনে প্রতি বছর এখানে রথযাত্রা হয় এবং ভক্তপ্রাণ মানুষরা এখানে ভিড় জমান। রথযাত্রার দিন তাই সাজো সাজো রব কামদেবপুরে।