• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 13 July, 2026

চাকরি বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তারি এড়াতে হাউকোর্টে মানস ভুঁইয়া, শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ প্রাক্তন মন্ত্রীর

অভিযোগকারী দাবি করেন, পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়ার পর মানস ভুঁইয়ার মধ্যস্থতায় তাঁর স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা হয়েছিল

চাকরি বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তারি এড়াতে হাউকোর্টে মানস ভুঁইয়া, শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ প্রাক্তন মন্ত্রীর

Image: File Photo

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সবং থানা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না তিনি। তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে এবং পাসপোর্ট স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে।মানস ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে সবং থানায় এক যুবক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়ার পর মানস ভুঁইয়ার মধ্যস্থতায় তাঁর স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা হয়েছিল।

কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্ষমতা চ্যুত হওয়ার পর মাত্র দু’মাসের মধ্যেই সেই চাকরি চলে যায়। যদিও মানস ভুঁইয়া সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবুও অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। এরপরই সম্ভাব্য গ্রেপ্তারি এড়াতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সবংয়ের সাত বারের বিধায়ক।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে সবং কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন মানস ভুঁইয়া। তবে তিনি বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনের পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত গত ১৩ জুন তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

অভিযোগকারী যুবক সবংয়ের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তিনি পুলিশকে জানান, মানু ভুঁইয়ার মধ্যস্থয়া পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে তাঁর স্ত্রীর চাকরি নিশ্চিত করা হয়েছিল। গত ১ মার্চ তাঁর স্ত্রী তেমাথানী ইরিগেশন বাংলোয় সিআইএসবি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডে যোগ দেন। মার্চ মাসের বেতন হিসেবে তিনি ১০ হাজার ৭৪৭ টাকা পান। কিন্তু গত ৬ মে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং এরপর আর কোনও বেতন দেওয়া হয়নি।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮ (৪) এবং ৬১ (২) ধারায় মানস ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সেই মামলাতেই আপাতত শর্তসাপেক্ষ গ্রেপ্তারি থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।