• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 25 August, 2026

তিন বছর ধরে বকেয়া বিল, ক্ষোভে ফুঁসছেন ৪০০-র বেশি পুর ঠিকাদার

সংগঠনের সম্পাদক আশিস চক্রবর্তী জানান, গত প্রায় তিন বছর ধরে তাঁদের কোনও বিলের অর্থ মেটানো হয়নি। শুধু তাই নয়, এখন নতুন করে জমা দেওয়া বিলও গ্রহণ করা হচ্ছে না

তিন বছর ধরে বকেয়া বিল, ক্ষোভে ফুঁসছেন ৪০০-র বেশি পুর ঠিকাদার

Kolkata Municipal Corporation Photo-SNS

তিন বছর ধরে কাজের বিলের টাকা না মেলায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন কলকাতা পুরসভার ৪০০-রও বেশি ইলেক্ট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টর। দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিতে কলকাতা পুরসভার ডিজি (লাইটিং)-এর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা।

ঠিকাদারদের দাবি, কারও কয়েক কোটি টাকা, আবার কারও কয়েক লক্ষ টাকা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। অথচ বিলের টাকা না পেলেও তাঁদের নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। উন্নয়নমূলক কাজ কার্যত থমকে গেলেও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এখনও তাঁদেরই কাঁধে। এই পরিস্থিতিতে নতুন টেন্ডারে অংশ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করাও শক্ত হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ।

সংগঠনের সম্পাদক আশিস চক্রবর্তী জানান, গত প্রায় তিন বছর ধরে তাঁদের কোনও বিলের অর্থ মেটানো হয়নি। শুধু তাই নয়, এখন নতুন করে জমা দেওয়া বিলও গ্রহণ করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজি (লাইটিং)-এর কাছে জানতে চেয়েছি, নির্দিষ্টভাবে কবে বকেয়া টাকা মিলবে। আমাদের সংসার চালাতে হচ্ছে, ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব রয়েছে। টাকা বন্ধ থাকায় আমরা ভীষণ সমস্যায় পড়েছি।’

আশিস চক্রবর্তীর দাবি, ডিজি তাঁদের জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরে জানাবেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি। কমিশনার এবং জয়েন্ট কমিশনারের কাছেও লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, প্রশাসকের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করে বকেয়া বিল পরিশোধের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করা হোক।

ঠিকাদারদের বক্তব্য, নগরোন্নয়ন দপ্তরের যে নির্দেশিকা ছিল, তার মেয়াদ ১০ জুন পর্যন্ত ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বকেয়া বিল নিয়ে কোনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তাই প্রশাসনের কাছ থেকে দ্রুত আশ্বাস এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।