সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির কাছে অতীতের পেনশন বিতরণের পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় বহু পেনশনভোগীর বকেয়া ডিআর দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। সেই জট কাটিয়ে দ্রুত আর্থিক স্বস্তি দিতেই এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রোপা ২০০৯-এর আওতায় ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের আনুমানিক বকেয়া ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে। ব্যাঙ্কগুলির যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ অন্তর্বর্তীকালীন সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।
সরকার জানিয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার হিসাব করা হবে পশ্চিমবঙ্গের অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের নথি, রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বিজ্ঞাপিত ডিআর হার এবং অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স-এর ১০০ শতাংশ নিউট্রালাইজেশনের ভিত্তিতে।
পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুত সম্পন্ন করতে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অধীনে একটি ব্যাঙ্ক পেনশন ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলিকে ওই পোর্টালে পেনশনভোগীদের তথ্য যাচাই ও হালনাগাদ করে অনুমোদিত অর্থ দ্রুত তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ব্যাঙ্কগুলিকে অতীতের সমস্ত পেনশন বিতরণের যাচাইকৃত তথ্য সরকারকে জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অবশিষ্ট বকেয়া ডিআরের চূড়ান্ত হিসাব করে পরবর্তী পর্যায়ে বাকি অর্থ দেওয়া হবে। অবশিষ্ট বকেয়া ডিআর কীভাবে এবং কবে প্রদান করা হবে, সে বিষয়ে পরে পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করবে রাজ্য সরকার।




