• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 7 July, 2026

কোমড়ে দড়ি পরিয়ে হাঁটানো মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট

আজ কলকাতা হাইকোর্টে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কিশোর দত্ত, জানিয়েছেন , সম্প্রতি এক বিশেষ ধরনের সংস্কৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কোমড়ে দড়ি পরিয়ে হাঁটানো মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট

রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর থেকেই চলছে একের পর এক গ্রেফতার। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ধৃতকে কোমড়ে দড়ি পরিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে আজ কলকাতা হাইকোর্টে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কিশোর দত্ত, জানিয়েছেন , সম্প্রতি এক বিশেষ ধরনের সংস্কৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অভিযুক্তকে কোমরে দড়ি পরিয়ে প্যারেড করানো হচ্ছে। কাউকে গ্রেফতার করা হলে তাকে বিচারপতির সামনে পেশ করা হয়। সেটাই নিয়ম।

কিন্তু বর্তমানে এই যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তা মানবাধিকার লংঘনের সমান বলেও মনে করছেন। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের অপর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছিলেন, কোনও অভিযুক্তের কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো কখনই আইনত সমর্থনযোগ্য নয়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কোনও ব্যক্তির মানবাধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয়, সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

এর আগে ফলতার তৃণমূল নেতা পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ফলতার পুনর্নির্বাচনের পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন জাহাঙ্গির। পরে নেপাল সীমান্ত থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।  জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে কতগুটি মামলা রয়েছে, তা জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী রেজিনা বিবি। পাশাপাশি কোমরে দড়ি পরিয়ে প্যারেড করানোর অভিযোগ করা হয়।

এমনকি শওকত মোল্লাকেও একই ভাবে রাস্তাতে হাঁটানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে বাজানো হয়েছিল ভাইরাল ‘মাছচোর’ গানটি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তারপরেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। গত ৩ জুলাই মানবাধিকার ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ৷ তার আগের দিন বিকেলে ধর্ষণে মামলায় অভিযুক্ত শওকতকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং এলাকার জীবনতলা বাজারের মধ্য দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ ৷