• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 5 July, 2026

কানাডার স্বপ্নভঙ্গ, মরক্কোর দাপট অব্যাহত! তিন গোলে জিতে ইতিহাস গড়ে শেষ আটে আফ্রিকার সেরা শক্তি

বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে ফিরে আসা বলে বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে জালে জড়িয়ে দেন আজেদিন উনাহি। সেই গোলেই এগিয়ে যায় মরক্কো।

কানাডার স্বপ্নভঙ্গ, মরক্কোর দাপট অব্যাহত! তিন গোলে জিতে ইতিহাস গড়ে শেষ আটে আফ্রিকার সেরা শক্তি

Photo: X

অন্যতম আয়োজক দেশের স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে পড়ল মরক্কো।

হিউস্টনে শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আবারও প্রমাণ করল, ২০২২ সালের সাফল্য কোনও অঘটন ছিল না। আজেদিন উনাহির জোড়া গোল এবং বদলি হিসেবে নেমে সৌফিয়ান রাহিমির শেষ মুহূর্তের গোলে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় আটলাস লায়ন্স। এই জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌঁছল মরক্কো, যা কোনও আফ্রিকান দেশের পক্ষে নজিরবিহীন।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল একেবারেই উল্টো। নিজেদের সমর্থকদের সামনে দুরন্ত ছন্দে খেলতে শুরু করে কানাডা। উচ্চগতির প্রেসিং এবং একের পর এক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয় তারা। জনাথন ডেভিড এবং টানি ওলুওয়াসেয়িরা বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু এবং মরক্কোর রক্ষণভাগ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রথমার্ধে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় লড়াই।

বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে ফিরে আসা বলে বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে জালে জড়িয়ে দেন আজেদিন উনাহি। সেই গোলেই এগিয়ে যায় মরক্কো।

গোল হজম করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে কানাডা। সেই সুযোগই কাজে লাগায় মরক্কো। পাল্টা আক্রমণ থেকে ম্যাচের শেষ দিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন উনাহি। সংযুক্ত সময়ে বদলি হিসেবে নামা সৌফিয়ান রাহিমি তৃতীয় গোল করে কানাডার বিদায় নিশ্চিত করেন।

প্রথমার্ধে চাপে থাকলেও ধৈর্য হারায়নি মরক্কো। সুযোগের অপেক্ষায় থেকে দ্বিতীয়ার্ধে নিখুঁত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তারা। বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও রক্ষণে শৃঙ্খলা এবং পাল্টা আক্রমণের ধারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

এ বার কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে মরক্কো। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে দুর্দান্ত লড়াই উপহার দিলেও শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোতে পারল না কানাডা। তবে ইতিহাসে প্রথমবার নকআউট পর্বে জয়ের পর এই বিশ্বকাপ তাদের ফুটবল ইতিহাসের নতুন অধ্যায় হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।