• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 29 June, 2026

রাম মন্দিরে চুরির ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানিতে নারাজ শীর্ষ আদালত

সোমবার আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। আদালত জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানিতে নাকচ করছে। তবে শুনানির আবেদন খারিজ করেনি।

রাম মন্দিরে চুরির ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানিতে নারাজ শীর্ষ আদালত

অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান ও মূল্যবান জিনিস চুরির ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। গোটা বিষয়টি নিয়ম মেনেই বিবেচনা করা হবে।

অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দান করা কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ ও মূল্যবান অলঙ্কার তছরুপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সোমবার আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। কিন্তু এই মামলায় জরুরি ভিত্তিতে শুনানিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা।

এদিন শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বলেন, ‘এই মামলাটি দ্রুত শুনানির কি কোনও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? গরমের ছুটির পরে এই মামলার শুনানি হতে পারে।’ এদিন আদালত জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানিতে নাকচ করছে। তবে শুনানির আবেদন খারিজ করেনি। বরং স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দান করা কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ ও মূল্যবান অলঙ্কার ও রত্ন তছরুপের অভিযোগে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপের পরই ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সাধারণ সম্পাদক চম্পৎ রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র পদত্যাগ করেন।

সিটের সুপারিশের ভিত্তিতে ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য কৃষ্ণ মোহন পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু, লবকুশ মিশ্র, অনুকল্প মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, অবিনাশ শুক্ল, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে চুরি, বিশ্বাসভঙ্গ, চুরি করা সম্পত্তি গোপন রাখা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, দুর্নীতি দমন আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে।

সিটের প্রাথমিক রিপোর্টে মোট ১৭ জনকে দায়ী করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত প্রায় দেড়শো সেবাদারের ভূমিকাও তদন্তের আওতায় এসেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর তাঁদের অনেকের সম্পত্তি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এই তালিকায় চম্পৎ রাইয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফুলকান্ত মিশ্রের নামও রয়েছে।