• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 27 June, 2026

কলকাতা-সহ ৫টি বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা, নজরদারিতে নতুন পদক্ষেপ সিআইএসএফ-এর

তালিকায় থাকছে কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই বিমানবন্দর

কলকাতা-সহ ৫টি বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা, নজরদারিতে নতুন পদক্ষেপ সিআইএসএফ-এর

অপরাধীদের শনাক্ত করতে নজরদারি আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিল সিআইএসএফ। দেশের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক ফেসিয়াল রিকগনিশন (এফআরসি) ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলিতে লাইভ ফিড সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধনীনে দিল্লিতে গড়ে ওঠা ডেটা ফিউশন সেন্টার-এ পৌঁছবে। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই বিমানবন্দর।

দিল্লিতে সিআইএসএফ-এর নতুন সদর দপ্তর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ডিজি প্রবীররঞ্জন জানান, বিমানবন্দরগুলিতে থাকা ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরাগুলিকে আরও উন্নত করে ন্যাশনালল গ্রিড (NATGRID)-এর সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের রিয়েল-টাইমে শনাক্ত করা এবং তাঁদের গতিবিধির উপর নজর রাখা আরও সহজ হবে।

শুধু বিমানবন্দর নয়, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতেও প্রায় দেড় লক্ষ এফআরসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই সব ক্যামেরার লাইভ ফিডও ডেটা ফিউশন সেন্টারে পৌঁছবে। যার ফলে কেন্দ্রীয়ভাবে নজরদারি ও তথ্য বিশ্লেষণ আরও কার্যকর হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যগুলিকেও এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন ডে়টাসেট সংযুক্ত করার জন্য উৎসাহিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, আধার, বিমান যাত্রার তথ্য, ব্যাঙ্কের রেকর্ড, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য, ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট(FIU)-এর সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট, মোবাইল সংক্রান্ত তথ্য এবং সমাজমাধ্যম থেকে সংগৃহীত তথ্য।

ডেটা ফিউশন সেন্টার এমন একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য একত্রিত করে একটি অভিন্ন তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে। এর মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি আগে কোথাও শনাক্ত হয়েছেন কি না, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও সন্দেহজনক গতিবিধির রেকর্ড রয়েছে কি না বা অতীতের কোনও অপরাধের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র রয়েছে কি না-এসব তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষন করা সম্ভব হবে। সিআইএসএপ-এর মতে, এই প্রযুক্তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলির তদন্ত ও অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়ক হবে।