• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 25 June, 2026

ক্যানসারের ওষুধ, ভ্যাকসিনে এবার থেকে কিউআর কোড

এবার থেকে ক্যানসারের ওষুধ, ভ্যাকসিনের ওষুধে থাকবে কিউ আর কোড। বাদ থাকবে না অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও সাইকোথেরাপিক ড্রাগও।

ক্যানসারের ওষুধ, ভ্যাকসিন নিয়ে এবারে বড় পদক্ষেপের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে একাধিক ওষুধ, ইঞ্জেকশনের ব্যবহারের উপরে যাতে নজর রাখা যায় সেই কারণে এবারে বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। এবার থেকে ক্যানসারের ওষুধ, ভ্যাকসিন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের উপরে যাতে নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় সেই কারণেই এই পদক্ষেপ, বলে মনে করছেন অনেকে।

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ড্রাগ রুল ১৯৪৫ সংশোধন করেছে। সেখানেই এই বিষয়টি সংযুক্ত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, সমস্ত ওষুধের বাক্সে কিউ আর কোড বাধ্যতামূলক ভাবে বসাতেই হবে। এর আগে এই নিয়ম ছিল কেবলমাত্র দেশের ৩০০টি শীর্ষ ফার্মাসিউটিক্যাল ব্র্যান্ডের জন্য। সংশোধিত আইনে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ওষুধের প্যাকেজিংয়ের উপরে এই কিউআর কোড বসাবেন। আর সেই কোডে থাকবে ওষুধের উপাদানের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য। সেই সঙ্গে তাতে থাকবে  ওষুধ প্রস্তুতকারকের নাম সহ একাধিক তথ্য। এমনকি ব্র্যান্ডের নামও থাকবে ওই কিউআর কোডে।

স্বাস্থ্য আধিকারিকদের তরফে জানা গিয়েছে, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যাতে সমগ্র বিষয়টির উপরে স্বচ্ছতা থাকে। সেই সঙ্গে ওষুধ বাজারে যাওয়া থেকে ক্রেতার কাছে যাওয়ার পরেও যাতে সকল তথ্য সকলের কাছে থাকে। ওই কিউ আর কোডে থাকবে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার লাইসেন্স নম্বরও। এখানে থাকবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালও। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে দোকান থেকে কিনে এই ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে মানুষের। ফলে মানুষের শরীরে তৈরি হয়ে যাচ্ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেসিসটেন্স। আর তা চিকিৎসকদের কাছে রীতিমত উদ্বেগের।

এই পদক্ষেপের ফলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালে থাকা উপাদান ও তার বিস্তারিত তথ্য গ্রাহকদের কাছে যাবে। পাশাপাশি এই ওষুধের লেনদেনের উপরেও নজর রাখা যাবে। এমনকি ভুয়ো বা কম গুণমানের ওষুধ বিক্রি করা হলে সেই বিষয়টিও সহজেই নজরে আসবে বলে মনে করছেন অনেকে।  এমনকি সাইকোথেরাপিক ড্রাগেও এই কিউআর কোড থাকবে বলে জানানো হয়েছে। আর এই নির্দেশিকা বলবৎ হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৭ থেকে। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ প্রস্তুতকারকদের ১টি বছর অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে এটি লাগু হবে ১ জুলাই ২০২৮ থেকে।  এই কিউ আর কোড থাকলে কোন ওষুধ কে বা কারা তৈরি করছে সেই সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যেমন সহজ হবে, সেই সঙ্গে তা কে বা কারা কিনছে সেই বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন অনেকে।