মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি এঁকে তাঁর হাতে তুলে দিল এক পড়ুয়া। নাম সুইটি মণ্ডল। অশোকনগর কাজলা রবীন্দ্র শিক্ষা নিকেতনের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সে। নিজের হাতে আঁকা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি নিয়ে এদিন ‘জনতার দরবার’-এ হাজির হয়েছিল সুইটি। তার সঙ্গে ছিল দিদি, জামাইবাবু এবং মা। সুইটির হাত থেকে ছবি নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পড়ুয়াকে আশীর্বাদও করেন তিনি।
সুইটি বলেন, ‘ব্যস্ততার মধ্যেও মুখ্যমন্ত্রী আমাকে সময় দিয়েছেন। আমার কথা শুনেছেন এবং আশীর্বাদ করেছেন। আমি শুনেছি মুখ্যমন্ত্রী কাউকে ফিরিয়ে দেন না। তিনি যে আমার কথা শুনেছেন এটাই অনেক।‘

রাজ্যের সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে চালু করা হয়েছে ‘জনতার দরবার’। বুধবার সল্টলেক রাজ্য বিজেপি দপ্তরে ‘জনতার দরবার’-এ মানুষ নিজেদের অভাব অভিযোগ শোনাতে আসে। মুখ্যমন্ত্রী মন দিয়ে সবার কথা শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য ‘জনতার দরবার’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির তরফে বলা হয়েছে প্রতি সপ্তাহে একদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে থাকবেন। সেখানেই জনতার দরবার কর্মসূচি হবে। এদিনও জনতার দরবারে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। সবার অভিযোগ শোনেন।
রঞ্জনা হাজরা নামে এক মহিলা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ করেন। এর আগেও তিনি বিভিন্ন মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও এই ‘জনতার দরবার’-এ দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু ছাড়াও আজকের জনতার দরবারে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং শশী অগ্নিহোত্রী।




