• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 17 June, 2026

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারকে ইমেল মেসিদের

লিও মেসিদের ইমেল এবারে সরাসরি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে এল। যুবভারতী কাণ্ডের জন্য দায়ী করা হয়েছে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে।

লিও মেসিদের ইমেল এবারে সরাসরি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে এল। আর গত ডিসেম্বর মাসে যুবভারতী কাণ্ডের জন্য ওই মেলে স্পষ্টভাবে দায়ী করা হয়েছে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারকে এই ইমেল করেছেন মেসির দলের একজন। তিনিও ডিসেম্বরে ‘গোট ট্যুর’-এ মেসির পরামর্শদাতা হিসেবে এসেছিলেন। তিনি নিজেও যুবভারতীতে ছিলেন। ওই ইমেলে স্পষ্টভাবে লেখা হয়েছিল অরূপ বিশ্বাস মাঠে ঢোকার পরেই যাবতীয় ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল। আর তাঁর নাম করেই বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেছে মেসির টিম। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মাঠে ঢুকে অরূপ যা করতে শুরু করেছিলেন তা নির্ধারিত সূচিতে একদমই ছিল না।

স্পষ্ট ওই ইমেলে লেখা রয়েছে কী কী করেছিলেন অরূপ। উল্লেখ করা হয়েছে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী বারবার মেসিকে স্পর্শ করছিলেন। সেই সঙ্গে ছবি তোলার জন্য কাঁধে এবং কোমরে হাত দিচ্ছিলেন । এমনকি অরূপের সঙ্গে বহু মানুষ মাঠে ঢুকেছিলেন। যাদের মাঠে ঢোকার কোন অনুমতিই ছিল না। এমনকি যেখানে ৩ জন আলোকচিত্রীর থাকার কথা সেখানে প্রায় ৪০ জন মাঠে ছিলেন। তাতেই মেসি বিরক্ত হন ও তার নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। আরও বলা হয়েছে ওই কারণেই ইভেন্টে মেসির পক্ষে থাকা আর সম্ভব হয়নি।

আরও বলা হয়েছে ওই ট্যুরের যিনি আয়োজক ছিলেন সেই শতদ্রু দত্তের নিয়ন্ত্রণেও ছিল না বিষয়টি। স্পষ্ট করে বলা হয়েছে মেসির তাড়াতাড়ি যুবভারতী ছাড়ার জন্য শতদ্রু দায়ী নন। মেসির কলকাতা সফরে ঘটা বিশৃঙ্খলা নিয়ে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেছেন শতদ্রু। এই মামলাতে অরূপের যে রক্ষাকবচ রয়েছে তাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলাও করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টিও আকর্ষণ করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নিয়ে মঙ্গলবার মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভবনা রয়েছে।  তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর গ্রেফতারি এড়াতে টালিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস আদালতে রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়েছিলেন। তারপরে তাকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি এই রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ ছিল তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে অরূপকে। আর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছেন শতদ্রু। আর সেখানে দাঁড়িয়ে মেসিদের তরফে আসা এই ইমেল অনেকটাই কাজ সহ করল বলে মনে করছেন শতদ্রু।