• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 10 June, 2026

ট্যুরিজম এবং স্পোর্টসে জোর নমোর

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান,  আগামী দিনে গোটা বিশ্ব ভারতের শক্তি ও সম্ভাবনার আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের উত্থান প্রত্যক্ষ করবে—পর্যটন এবং ক্রীড়া।

আজ এনডিএ জোটের বৈঠকে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান,  আগামী দিনে গোটা বিশ্ব ভারতের শক্তি ও সম্ভাবনার আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের উত্থান প্রত্যক্ষ করবে—পর্যটন এবং ক্রীড়া। এই দুই খাতই ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক পরিকাঠামোর সমন্বয় দেশটিকে দ্রুত আন্তর্জাতিক পর্যটনের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করছে। শুধু অবকাশযাপন নয়, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, বাণিজ্যিক প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বৃহৎ কনসার্ট আয়োজনের ক্ষেত্রেও ভারত ক্রমশ বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছে। দেশের বিভিন্ন শহরে গড়ে ওঠা আধুনিক বিমানবন্দর, এক্সপ্রেসওয়ে, কনভেনশন সেন্টার এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এই অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

অন্যদিকে, ক্রীড়াক্ষেত্রেও ভারতের উত্থান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। দেশের তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করছে এবং তাদের দক্ষতা প্রতিদিন আরও উন্নত হচ্ছে। ক্রিকেটের পাশাপাশি ব্যাডমিন্টন, কুস্তি, অ্যাথলেটিক্স, শুটিং, টেনিস এবং অন্যান্য খেলায় ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের পরিচয় দিচ্ছেন। একইসঙ্গে, বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়া লিগগুলির আয়োজক ও কেন্দ্র হিসেবে ভারত নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে। ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে প্রস্তুত।

অলিম্পিককে সামনে রেখে ভারতের প্রস্তুতিও দেশের বৃহত্তর স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই প্রস্তুতি শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য নয়, বরং বিশ্বদরবারে ভারতের সক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ। তাই দেশের লক্ষ্যও হতে হবে বৃহৎ এবং উচ্চাভিলাষী। ছোট পরিসরে চিন্তা না করে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে।

আজকের ভারত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে উন্নয়ন ও সংস্কারের পথে। ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’-এ চেপে দেশ নতুন সম্ভাবনার দিকে ছুটে চলেছে। ভারতের কাছে সংস্কার কোনও বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি একটি দৃঢ় বিশ্বাস ও অঙ্গীকার। আর দেশের নাগরিকরাও ধারাবাহিকভাবে এই সংস্কার ও পরিবর্তনের যাত্রাকে সমর্থন করে চলেছেন। সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আগামী দিনের উন্নত, শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি গড়ে তুলবে।