• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 5 June, 2026

যে কোনও দপ্তর সামলাতে প্রস্তুত মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, মুর্শিদাবাদ-মালদহ অঞ্চলে বিজেপির উত্থানের পিছনে গৌরীশংকরের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে

মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ

শুভম বসু — মুর্শিদাবাদের বিজয়ী সাংসদ তথা নবনির্বাচিত মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ এখন রাজ্য বিজেপির অন্যতম আলোচিত মুখ। দীর্ঘদিন সংগঠনের মাটির স্তরে কাজ করা এই নেতা ২০২১ সালে মুর্শিদাবাদের মতো কঠিন আসন থেকে প্রথম জয় পান। এ বারও সেই আসন ধরে রেখে দলের শক্তি আরও মজবুত করেছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, মুর্শিদাবাদ-মালদহ অঞ্চলে বিজেপির উত্থানের পিছনে গৌরীশংকরের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
মন্ত্রীসভার দায়িত্ব বণ্টনের আগে গৌরীশংকর ঘোষ জানান, ‘আমাদের দল একটি গণতান্ত্রিক দল। বিধায়ক-মণ্ডলী আমাকে যে কাজের জন্য যোগ্য মনে করবে, সেই দায়িত্বই দেওয়া হবে। যে দপ্তরই দেওয়া হোক না কেন, তা সামলানোর জন্য আমি শতভাগ প্রস্তুত।’  বাংলার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এখন বিজেপি সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে দাবি গৌরশংকরের।
মুর্শিদাবাদ ও মালদহে বিজেপির সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা ছিল সংখ্যাগুরু মানুষের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মানুষ বুঝেছিলেন, একজোট না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।’ একই সঙ্গে তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করা হলেও বাস্তব উন্নয়ন হয়নি। সেই কারণেই এ বার বহু মানুষ বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির উপর আস্থা রেখেছেন।
তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে গৌরীশংকর বলেন, গত ১৫ বছরে কৃষকদের দুর্দশা বেড়েছে। কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি, চাষের খরচ বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি না পাওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের উপর চাপ আরও বেড়েছে। ‘মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিলেন বলেই এই ফলাফল,’ দাবি তাঁর।
আগামী পাঁচ বছরে বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী গৌরীশংকর। তাঁর কথায়, ‘মানুষ কাজ পাক, কৃষক চাষ করে টিকে থাকুক, যুব সমাজের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হোক, আর সাধারণ মানুষের জীবনটা একটু সহজ হোক।’ পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, মুর্শিদাবাদ-সহ গোটা বাংলার মানুষের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার সর্বদা মানুষের পাশে থাকবে।