• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 2 June, 2026

এটিএফের দামে স্বস্তি, টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কমল বিমান সংস্থাগুলির

আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রে এটিএফের দাম প্রায় ২৭ শতাংশ কমানো হয়েছে, যদিও অভ্যন্তরীণ উড়ানের ক্ষেত্রে জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

বিমান জ্বালানি বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ) নিয়ে স্বস্তির খবর পেল দেশের বিমান সংস্থাগুলি। আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রে এটিএফের দাম প্রায় ২৭ শতাংশ কমানো হয়েছে, যদিও অভ্যন্তরীণ উড়ানের ক্ষেত্রে জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ কিছুটা কমবে এবং ভবিষ্যতে টিকিটের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইজরায়েল-ইরান সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অশান্তির জেরে গত কয়েক মাসে জ্বালানির দাম ব্যাপক বেড়েছিল। মার্চ মাসের পর আন্তর্জাতিক রুটে এটিএফের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবায় সেই বৃদ্ধি সীমিত রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার হস্তক্ষেপ করেছিল।

প্রতি মাসের শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ভিত্তিতে এটিএফের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম কিছুটা কমায় আন্তর্জাতিক উড়ানের জন্য জ্বালানির মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর সুবিধা পাবে এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, আকাশ এয়ার-সহ বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি বিমান সংস্থা।

বিমান সংস্থাগুলির দাবি, জ্বালানির খরচ তাদের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ। তার উপর পাকিস্তানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় ইউরোপ ও আমেরিকাগামী অনেক উড়ানকে ঘুরপথে চলতে হচ্ছে, ফলে জ্বালানি খরচও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে এটিএফের মূল্য কমানো কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
তবে বিমান সংস্থাগুলি এখনও অভ্যন্তরীণ উড়ানের জন্য এটিএফের দাম কমানোর দাবি জানাচ্ছে। তাদের মতে, জ্বালানির উপর কর ও ভ্যাট কমানো গেলে শেষ পর্যন্ত লাভবান হবেন যাত্রীরাই।