• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 14 September, 2026

গ্রেপ্তারি ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে সুজিত বসু

ইডির তলব থেকে শুরু করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং গ্রেপ্তারি গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াকেই বেআইনি দাবি করে মামলা করেছেন তিনি

গ্রেপ্তারি ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে সুজিত বসু

Former Minister Sujit Basu Photo-SNS

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। ইডির তলব থেকে শুরু করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং গ্রেপ্তারি গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াকেই বেআইনি দাবি করে মামলা করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ১১ মে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৯(১) ধারায় সুজিত বসুকে গ্রেপ্তার করে ইডি। এরপর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইডির অভিযোগ, পুর নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে সুজিত বসু বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ এবং একাধিক ফ্ল্যাট সংগ্রহ করেছিলেন। পরে সেই অর্থ বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয় বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার অয়ন শীলের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছিল। সেই তালিকায় কাঁচরাপাড়া, কামারহাটি, দক্ষিণ দমদম-সহ একাধিক পুরসভার নাম উঠে আসে। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুর্নীতির অন্যতম সুবিধাভোগী ছিলেন সুজিত বসু।

সুজিত বসুকে গ্রেপ্তারির আগে ইডির তরফে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ভোটের আগে কয়েকবার তাঁকে তলবও করা হয়। সেইসময় সুজিত জানিয়েছিলেন, তিনি ভোটের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন। এরপর গত ১ মে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে যান। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরেই ১১ মে ইডি দপ্তরে সুজিত বসুকে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি।