এছাড়াও, ইবোলা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির রক্ত কিংবা শরীরের অন্য কোনও তরলের সংস্পর্শে এসে থাকলে তা বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের অবিলম্বে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের আগেই যাত্রীদের স্বাস্থ্য ডেস্কে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। ডিজিএইচএসের নির্দেশ অনুযায়ী, কেউ যদি বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর ২১ দিনের মধ্যে ইবোলার কোনও উপসর্গ অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিজের ভ্রমণের তথ্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধিনিষেধে সহযোগিতা করার আবেদনও জানিয়েছে সরকার।
Advertisement
সরকার স্পষ্ট করেছে, এখনও পর্যন্ত ভারতে ইবোলা ভাইরাসের কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইবোলা পরিস্থিতিকে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। ইবোলা একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মানুষের পাশাপাশি কিছু প্রাণীর মধ্যেও ছড়ায়। সাধারণত বাদুড়, বাঁদর বা অন্য বন্য প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করে। পরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, শরীরের তরল, পোশাক বা ব্যবহৃত জিনিসের সংস্পর্শে অন্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
Advertisement
Advertisement



