জার্মানির মোয়ার্স শহরের একটি গুরুদ্বারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। শহরটি ডর্টমুন্ড থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। সোমবার ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।
সংঘর্ষের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতি গঠনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। পাশাপাশি গুরুদ্বারের তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়েও বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই দুই ইস্যুর মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও সেগুলির সত্যতা যাচাই করেনি দৈনিক স্টেটসম্যান। জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪০ জন এই সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, সংঘর্ষের সময় কিছু ব্যক্তির হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। ‘পিপার স্প্রে’ ব্যবহার করা হয়েছে এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।
Advertisement
একজন ৫৬ বছর বয়সি প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা বলে তাঁর মনে হয়েছে। তাঁর কথায়, প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে একদল আচমকা ‘পিপার স্প্রে’ ব্যবহার করে অপর পক্ষের উপর আক্রমণ চালায়। পরে একজন পিস্তল বের করে গুলি চালান বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি ছুরি ব্যবহারের ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান।
তবে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি। পুলিশ অন্তত একজনকে আটক করেছে এবং ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
Advertisement



