• facebook
  • twitter
Wednesday, 8 April, 2026

কোচবিহার দক্ষিণের অবজার্ভারকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

কর্তব্যে গাফিলতি এবং তথ্যের অভাবের কারণ দেখিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবরv

বুধবার পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর অবজার্ভারদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সরাসরি বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন কোচবিহার দক্ষিণের অবজার্ভার অনুরাগ যাদব। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই আমলাকে অবজার্ভারের থেকে সরিয়ে দিল কমিশন। কর্তব্যে গাফিলতি এবং তথ্যের অভাবের কারণ দেখিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকের সময় কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বুথ সংখ্যা নিয়ে  প্রশ্ন করা হয়েছিল অনুরাগ যাদবকে। প্রায় ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সঠিক তথ্য দিতে পারেননি জানা গিয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।  যে অবজার্ভার নিজের এলাকার বুথ সংখ্যা জানেন না, তিনি অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট পরিচালনা করবেন কীভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কমিশনার।

Advertisement

এর পর বৈঠকের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোচবিহারের হিংসা ও স্পর্শকাতর বুথ নিয়ে আলোচনার সময় মেজাজ হারান  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অনুরাগ যাদবকে ‘গো ব্যাক টু হোম’  অর্থাৎ ‘বাড়ি চলে যান’  বলে তিরস্কার করেন তিনি। পাল্টা অনুরাগ যাদব বলেন ‘আপনি এভাবে কথা বলতে পারেন না। ২৫ বছর সার্ভিস করছি। ইউ কান্ট ট্রিট আস লাইক দিস।‘  এরপর পরেই সরকারিভাবে অনুরাগ যাদবকে অবজার্ভারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

Advertisement

কমিশনের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোনওরকম গাফিলতি সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে কোচবিহারের মতো স্পর্শকাতর জেলায়, যেখানে রাজনৈতিক সংঘাত নিয়মিত, সেখানে অবজার্ভারদের সব তথ্য জানা থাকা বাধ্যতামূলক।

এই ঘটনাকে অনেকেই কড়া সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন। আবার আমলাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও তৈরি হয়েছে বলে খবর। ভোটের আগে এই ঘটনায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

 

 

Advertisement