• facebook
  • twitter
Monday, 30 March, 2026

বোমাতঙ্ক ছড়াতে ভুয়ো ইমেল, অবশেষে দিল্লি পুলিশের জালে শ্রীনিবাস লুইস

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করেছেন যে, তিনিই ইমেলের মাধ্যমে বারবার এই ভুয়ো বোমা-হুমকি পাঠাতেন

দেশজুড়ে একের পর এক ভুয়ো বোমা-হুমকি ছড়িয়েছেন। আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন শ্রীনিবাস লুইস নামে ৪৭ বছর বয়সি এক ব্যক্তি। দিল্লি পুলিশের দাবি, তিনি অন্তত ১,১০০ বারেরও বেশি বিভিন্ন জায়গায় বোমা থাকার মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছিলেন। কর্ণাটকের মাইশোর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তে জানা গিয়েছে, দেশের নানা প্রান্তের স্কুল, হাইকোর্ট, সরকারি দপ্তর এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ইমেল ও অন্যান্য মাধ্যমে বোমা হামলার ভুয়ো হুমকি পাঠাতেন অভিযুক্ত। এই তালিকায় রয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট, দিল্লি বিধানসভা, রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস। ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের ভুয়ো বার্তা পাঠিয়ে তিনি ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন।

Advertisement

সাম্প্রতিক কয়েকটি বোমা-হুমকির ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই শ্রীনিবাসের পরিচয় সামনে আসে। এরপর দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল কর্ণাটকে গিয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় মাইশোর একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শ্রীনিবাস শিক্ষিত এবং তাঁর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে। তাঁর আদি বাড়ি বেঙ্গালুরুতে হলেও বর্তমানে তিনি মাইশোরে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।

Advertisement

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করেছেন যে, তিনিই ইমেলের মাধ্যমে বারবার এই ভুয়ো বোমা-হুমকি পাঠাতেন। পুলিশের ধারণা, তিনি মানসিক চাপের মধ্যেই এই কাজগুলি করতেন। তবে তাঁর এই কর্মকাণ্ডের পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য বা বড় চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে দিল্লি, পাঞ্জাব, গুজরাত-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় একই ধরনের ভুয়ো বোমা-হুমকির ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গেও আদালত-সহ একাধিক স্থানে এমন ইমেল পৌঁছেছিল। তবে সব ঘটনার সঙ্গে এই অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

 

 

 

 

 

Advertisement