• facebook
  • twitter
Sunday, 29 March, 2026

ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ ১৭০টি থানার ওসি অপসারিত

এর মধ্যে কলকাতার ভবানীপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং কোচবিহারের শীতলকুচির মতো গুরুত্বপূর্ণ থানাও রয়েছে

Election Commission of India. Nov 1, 2019. (File Photo: Amlan Paliwal/IANS)

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকা ভবানীপুর এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এলাকা নন্দীগ্রামের থানার ওসিকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভবানীপুর থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সৌমিত্র বসু।

রবিবার রাজ্য পুলিশের প্রশাসনে বড়সড় রদবদল করা হয়েছে, যেখানে মোট ১৭০টি থানার ওসি বদল হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতার ভবানীপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং কোচবিহারের শীতলকুচির মতো গুরুত্বপূর্ণ থানাও রয়েছে। একই দিনে ১১ জন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিককেও সরানো হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১৮৪ জন পুলিশ আধিকারিকের বদলি হয়েছে।

Advertisement

নন্দীগ্রাম থানার নতুন ওসি হয়েছেন শুভব্রত নাথ, যিনি আগে চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি, খেজুরি, চণ্ডীপুর, হলদিয়া, কোলাঘাট, তমলুক, এগরা এবং পটাশপুর থানাতেও ওসি পরিবর্তন করা হয়েছে।

Advertisement

এছাড়া শীতলকুচি থানার ওসি করা হয়েছে অভিষেক লামাকে, যিনি আগে কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার এসআই ছিলেন। একই সঙ্গে দিনহাটা, মাথাভাঙা, গোকসাডাঙা, রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, করণদিঘি, চোপড়া এবং ইসলামপুর থানাতেও ওসি বদল করেছে নির্বাচন কমিশন।

দিনহাটায় ইনস্পেক্টর বুধাদিত্য রায় এবং মাথাভাঙায় ইনস্পেক্টর শুভজিৎ ঝাকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। রায়গঞ্জে সুমন কল্যাণ সরকার এবং ইটাহারে অভিষেক তালুকদার নতুন দায়িত্বে থাকছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে কুমারগঞ্জে মনবেন্দ্র সাহা, হিলিতে তমাল দাস এবং পতিরামে নীলাদ্রি মালি দায়িত্ব নিচ্ছেন। আলিপুরদুয়ারে বীরপাড়া ও মাদারিহাট এলাকায় যথাক্রমে রিকি তামাং ও অভিষেক রায়কে পাঠানো হয়েছে।

কলকাতা পুলিশেও বড়সড় বদল হয়েছে। আলিপুর থানায় প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী, একবালপুরে সোমনাথ বিশ্বাস, গার্ডেনরিচে দিলীপ সরকার, পার্ক স্ট্রিটে গৌরাঙ্গ হালদার এবং টালিগঞ্জে সুমন কুমার নস্করকে আইসি করা হয়েছে।

যাদবপুরে অন্যান্য আধিকারিকদের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই এই ব্যাপক রদবদল। ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

 

Advertisement