এই সিদ্ধান্তের ফলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রাপ্য টাকা পেয়ে যাবেন। অন্যদিকে, কর্মরত সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই অর্থ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।
Advertisement
এর আগে নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছিল, বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এবং দ্বিতীয় কিস্তি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে মেটানো হবে। তবে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেই পরিকল্পনা বদলে সম্পূর্ণ বকেয়া একবারেই মিটিয়ে দেওয়ার পথে হাঁটল রাজ্য সরকার।
Advertisement
ইতিমধ্যেই শুক্রবার থেকে বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামী দু’দিনের মধ্যেই সমস্ত যোগ্য কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সমস্ত বকেয়া মহার্ঘভাতা ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে। তার প্রথম পর্যায় হিসেবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মেটানো হচ্ছে।
জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া অর্থ কর্মীরা সাধারণত দু’বছর পর্যন্ত তুলতে পারবেন না। তবে কোনও কর্মী এই সময়ের মধ্যে অবসর নিলে, চাকরি ছেড়ে দিলে বা মৃত্যু হলে, সেই ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে আগেই টাকা তোলার অনুমতি থাকবে। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে তাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্টেই সরাসরি অর্থ পাঠানো হবে। একই সুবিধা পাবেন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও। এই সিদ্ধান্তে রাজ্যের লক্ষাধিক কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
Advertisement



