এসআইআর-এর অতিরিক্ত তালিকাতে নাম বাদ পড়ল কলকাতা হাইকোর্টের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শহিদুল্লাহ মুন্সির। তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলের নাম রয়েছে বিবেচনাধীন তালিকায়। বিচারপতি শহিদুল্লাহ কলকাতার এন্টালি কেন্দ্রের ভোটার। একজন বিচারপতির নাম বাদ পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আদালত চত্বরে। বিচারপতি শহিদুল্লাহ জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় নাম তুলতে তিনি হাইকোর্ট নিযুক্ত ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হবেন। তবে কীভাবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হয় তা নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন তিনি।
গত সোমবার এসআইআরের প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেই তালিকায় বাদ পড়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুন্সির নাম। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শইদুল্লা মুন্সির নাম ছিল বিবেচনাধীন ভোটার তালিকায়। সেখান থেকে সরাসরি ‘ডিলিট’। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জানিয়েছেন, তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। শুনানিতে তিনি পাসপোর্ট জমা দেন। তবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড-সহ যাবতীয় ডকুমেন্ট জমা দিতে চাইলেও তা নেওয়া হয়নি। তিনি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এটা জানার পর, তাঁকে কোনও চিন্তা করতে হবে না বলে আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রথম তালিকায় গোটা পরিবারকে ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে’ পাঠানো হয়। সদ্য প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত তালিকায় তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও ছেলের নামও প্রকাশিত হয়নি৷ এখন ট্রাইব্যুনালে বিচারই ভরসা।
Advertisement
কিন্তু এই ট্রাইবুনালের আবেদন করার পদ্ধতি নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি বলেছেন, ‘ট্রাইব্যুনালে এসওপি কীভাবে জানানো হবে সেটা নিশ্চিত নয়। ট্রাইব্যুনালে কীভাবে এবং কত দিনের মধ্যে আবেদন করা যাবে, কত দিনে তা নিষ্পত্তি হবে সে বিষয়েও কিছু বলা নেই। কী কারণে তাঁর নাম বাদ গিয়েছে তার ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।’ মুন্সির আক্ষেপ, তাঁর মতো হাইকোর্টের একজন বিচারপতিকেও যদি এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়!
Advertisement
Advertisement



