• facebook
  • twitter
Monday, 16 March, 2026

হেঁসেলে হানা ‘এপিক ফিউরি’-র

যাতে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি না হয়, বিকল্প ব্যবস্থার পথে হাঁটছে ভারত। আপাতত ৪০টি দেশ থেকে ঘুরপথে জ্বালানি নিয়ে আসা হচ্ছে সরবরাহ মসৃণ রাখার জন্য।

শোভনলাল চক্রবর্তী

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে। যদিও সরকার জানিয়েছে, আপাতত ঘরোয়া বাজারে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (এনএলজি) মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। সরবরাহের প্রবাহ অটুট রাখতে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এলএনজি ঘরোয়া ব্যবহারে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এলপিজি গ্যাসের বাড়তি মজুত এবং কালোবাজারি রোধ করার জন্য বুকিং-সময়সীমা ২১ দিন থেকে ২৫ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থাৎ আগে যাঁরা ৫৫ দিনে এলপিজি সিলিন্ডার বুক করতেন, তাঁরা এখন ১৫ দিনে বুকিং শুরু করেছিলেন। সে কারণেই আগে সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি সরকার দেশের তেল শোধনাগারগুলিকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছে।

Advertisement

বাণিজ্যিক সংযোগের তুলনায় ঘরোয়া এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আলজ়িরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নরওয়ের মতো দেশগুলির সঙ্গে এলপিজি আমদানির জন্য ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পেট্রল ও ডিজ়েল এবং অ্যাভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে না, কারণ, দেশে যথেষ্টই মজুত রয়েছে,এবং অশোধিত তেলের দাম যদি ব্যারেল প্রতি ১৩০ ডলার অতিক্রম না করলে, পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বাস্তবে কিন্তু রান্নার গ্যাস এবং বাণিজ্যিক গ্যাস (এলপিজি)-এর জোগান নিয়ে উদ্বিগ্ন গ্রাহকেরা। তাঁদের বড় অংশের অভিযোগ, ফোনের মাধ্যমে গ্যাস বুকিং করতে পারছেন না তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে সিলিন্ডার বুকিং করতে না পেরে রাজ্যের নানা প্রান্তে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারগুলিতে ভিড় বাড়ছে। যে সমস্ত গ্রাহকের ই-কেওয়াইসি করা নেই, তাঁরাও গ্যাস পেতে সেন্টারগুলোর সামনে ভিড় বাড়াচ্ছেন। গ্যাসের জোগান ব্যাহত হওয়ায় রাস্তার ধারের হোটেলগুলিতে কাঠ-কয়লার উনুনে রান্না করা শুরু হয়েছে। হোম সার্ভিস চালাতে একই পথে হাঁটছেন অনেকেই। বুধবার তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে। আগামী ২১ মার্চের পর ওই মন্দিরে আর প্রসাদ মিলবে না। তবে গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে ফের প্রসাদ বিতরণ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল চালু রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Advertisement

যদিও এখনও পর্যন্ত কোথাও মিড ডে মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর নেই। তবে গ্যাসের জোগানে টান পড়লে স্কুলপড়ুয়াদের দুপুরের খাবারেও কোপ পড়তে পারে। গ্যাস নির্ভরতা কাটাতে গ্রাহকদের অনেকেই বিকল্প উপায় খুঁজছেন। বিভিন্ন জেলার ইলেকট্রনিক সামগ্রীর দোকানগুলিতে ইনডাকশন অভেন কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন তাঁরা। হুগলির ব্যান্ডেল এলাকার একটি দোকানের মালিক জানিয়েছেন, এমনিতে দিনে তিন-চারটি ইনডাকশন বিক্রি হত। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এখন দিনে ৭০-৮০টা বিক্রি হচ্ছে।শুধু এই রাজ্যে নয়, দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই গ্যাসের জোগান ব্যাহত হয়েছে। এলপিজি সিলিন্ডার বুক করতে গিয়েই হোঁচট খাচ্ছেন অনেকে। গ্রাহকদের অভিযোগ, ফোনে বুকিং হচ্ছে না। অনেকে আবার বুক করার ৮ থেকে ১০ দিন পরেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। লাভ হচ্ছে না গ্যাসের দফতরে গিয়েও। এই পরিস্থিতিতে ট্রেনে রান্নার ক্ষেত্রেও গ্যাসের পরিবর্তে মাইক্রোওয়েভ কিংবা ইনডাকশন অভেন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে আইআরসিটিসি। আপাতত রেলের ‘ওয়েস্টার্ন জোন’কে এই পরামর্শ মেনে চলতে বলা হয়েছে।

গৃহস্থালির গ্যাস ছাড়াও বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ায় বহু হোটেল এবং রেস্তরাঁর ঝাঁপ বন্ধ হয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। কলকাতায় এখনও তেমন কিছু শোনা না গেলেও মুম্বইয়ে ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কোথাও মেনু কাটছাঁট করা হচ্ছে। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে সেখানকার হোটেল এবং রেস্তরাঁগুলির সংগঠন ‘আহার’। বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের মতো শহরেও গ্যাসের জোগানের অভাবে হোটেলগুলির পরিষেবা মার খেয়েছে। কলকাতা-সহ দেশের অনেক শহরেই গ্যাসে চলা অটো পরিষেবা চালু রয়েছে।

সঙ্কটের কারণে কলকাতায় অটোর এলপিজি-র দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে কলকাতায় অটোর গ্যাসের নতুন দাম হয়েছে প্রতি লিটার ৬২.৬৮ টাকা, যা আগে ছিল ৫৭.৬৮ টাকা। এর ফলে বহু রুটেই অটোর ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পরেই গোটা বিশ্বে তেল এবং গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ওমান এবং পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালী ইরান কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখায় তেল এবং গ্যাসবাহী ট্যাঙ্কারগুলি সেখানগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারতে মোট আমদানি হওয়া অশোধিত তেলের ৪০ শতাংশ এবং পেট্রোলিয়াম গ্যাসের ৮০ শতাংশ পশ্চিম এশিয়া থেকেই আসে। এই পরিস্থিতিতে তেল এবং গ্যাসের জোগান নিয়ে অনিয়শ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে সরকারি সূত্র মারফত একাধিক বার দাবি করা হয়েছে, দেশে যথেষ্ট পরিমাণ তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে। গ্যাসের জোগান নিয়ে আশ্বস্ত করলেও সম্প্রতি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৫ দিনের কম ব্যবধানে দু’টি গ্যাস সিলিন্ডার ‘বুক’ করতে পারবেন না গৃহস্থেরা। মন্ত্রক সূত্রে খবর, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অনেকেই ‘প্যানিক বুকিং’ করছেন। অর্থাৎ অতিরিক্ত সিলিন্ডার মজুত করার চেষ্টা করছেন। আপাতত গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত গ্যাসের জোগান সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে চাইছে কেন্দ্র। তবে বাণিজ্যিক গ্যাসের ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জোগান সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। হরমুজ প্রণালী ছাড়া অন্যান্য পণ্যপথ দিয়ে অশোধিত তেল আনার প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করা হয়েছে। দেশে তেলের জোগান ধরে রাখতে আমেরিকা, রাশিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ভারতীয় তৈল শোধনাগারগুলি। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত যদি আরও বেশি দিন চলে, সে ক্ষেত্রে তেলের জোগানে ভাটা পড়তে পারে। সেই আশঙ্কায় আগেভাগেই সক্রিয় হয়েছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে যাতে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি না হয়, বিকল্প ব্যবস্থার পথে হাঁটছে ভারত। আপাতত ৪০টি দেশ থেকে ঘুরপথে জ্বালানি নিয়ে আসা হচ্ছে সরবরাহ মসৃণ রাখার জন্য।

বর্তমানে ভারতের প্রায় ৬০ শতাংশ জ্বালানি তেল ঘুরপথে আসছে। ঘটনাচক্রে, এই আবহে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, অন্যান্য দেশে জ্বালানি নিয়ে সঙ্কট তৈরি হলেও ভারতে এখনও সেরকম কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যাতে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি না হয়, তাই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সরকারি তথ্য বলছে, যে ৪০টি দেশের কাছ থেকে ঘুরপথে জ্বালানি তেল এবং জ্বালানি সামগ্রী আনা হচ্ছে সেগুলি হল, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, ব্রুনেই, কানাডা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মিশর, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, ঘানা, গ্রিস, গিনি, ইরাক, ইজ়রায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, ওমান, পানামা, কাতার, সেনেগাল, টোগো, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলা। এ ছাড়াও রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আনছে ভারত।

প্রসঙ্গত, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে যত তেল রফতানি হয়, তার ২০ শতাংশই যায় এই হরমুজ প্রণালী হয়ে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় প্রণালীর দুই ধারে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের জেরে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে টানাপড়েনের সৃষ্টি হয়েছে, তার আঁচ ভারতের উপরেও পড়ছে। কারণ হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় পশ্চিম এশিয়া থেকে তেলবাহী জাহাজগুলি সংশ্লিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছোতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে ভারতেও যাতে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি না হয়, তাই ঘুরপথে অন্য দেশ থেকে জ্বালানি নিয়ে আসা হচ্ছে। ভারত সরকারের দাবি, গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তার উপর ভিত্তি করেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, হরমুজ প্রণালী থেকে তেলবাহী জাহাজ পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যেতে দেবে না। শুধু তা-ই নয়, ইরান রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়, এক লিটার তেলও উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। তারপরই আমেরিকা পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়, হরমুজ প্রণালীকে অবরুদ্ধ করে রাখলে তার চরম খেসারত দিতে হবে ইরানকে।

দু’দেশের মধ্যে যখন দাবি, পাল্টা দাবি এবং হুঁশিয়ারির পর্ব চলছে, সেই মুহূর্তে ইরানের সংবাদমাধ্যম দাবি করে, হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকা কোনও কিছু করার চেষ্টা করলে আখেরে ক্ষতিই হবে। কারণ সেখানে একের পর এক মাইনবোঝাই নৌকা মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করছে ইরান। ইরানের ১৬টি নৌকাকে ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিস্ফোরক বিছিয়ে রাখা নেই বলেই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন সেনার তরফে কয়েকটি ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করে দাবি করা হয়, মাইনবোঝাই ইরানের নৌকা ধ্বংস করেছে তারা। পশ্চিম এশিয়া থেকে বিশ্বের অন্য প্রান্তে তেল সরবরাহ হয় উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে। এই পরিবহনে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। এর এক দিকে ওমান, অন্য দিকে ইরান। সামরিক সংঘাত শুরু হতেই এই প্রণালীকে স্তব্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। কিন্তু আমেরিকা বার বারই হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, এখনই যদি হরমুজ প্রণালীকে স্বাভাবিক না করা হয়, তা হলে ইরানকে ফল ভুগতে হবে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতে রাখার বিষয়টি জানানো হয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দুই আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালীতে কয়েক ডজন মাইন ইতিমধ্যেই পুঁতে রাখা হয়েছে। যদিও ওই প্রতিবেদনে মাইন পোঁতার নেপথ্যে ইরানের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি। মাইন পুঁতে রাখার বিষয় নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই সরাসরি ইরানকে সতর্ক করেন ট্রাম্প। তার পরই তিনি ইরানের ১৬টি নৌকা ধবংসের দাবি করেন। ট্রাম্প সাহেবের মিশন এপিক ফিউরি এখন আমাদের হেঁসেল ঘরে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

Advertisement