• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 6 September, 2026

ভোটের আগেই রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি পাঠানো হয়ে গেছে এবার ভোটের আগে বাংলায় দ্বিতীয় দফায় আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে

ভোটের আগেই রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

Central Force Photo-SNS

 আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্ক হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। এসআইআর চলাকালীন একাধিক জেলায় বিক্ষোভ, সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর এবং উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছিল। প্রশাসনিক মহলের মতে, সেই অভিজ্ঞতাই এবারের ভোটে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ার সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করেছে। অতীত নির্বাচনে রক্তারক্তির নজিরও রয়েছে—ফলে ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন।

সূত্রের খবর, রাজ্য পুলিশের তরফে কমিশনকে অন্তত দু’দফায় ভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যুক্তি, রাজ্য পুলিশের হাতে পর্যাপ্ত বাহিনী নেই, হোমগার্ড থাকলেও কমিশনের বিধি অনুযায়ী ন্যূনতম এএসআই পদমর্যাদার অফিসার ছাড়া সরাসরি নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া যায় না। সেই প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) বড় আকারে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কার্যত চূড়ান্ত হয়েছে।
মোট ৪৮০ কোম্পানি সিএপিএফ দু’দফায় পাঠানো হবে। প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি পাঠানো হয়ে গেছে এবার ভোটের আগে বাংলায় দ্বিতীয় দফায় আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। বণ্টন তালিকা অনুযায়ী, কলকাতায় সর্বাধিক ৩০ কোম্পানি (১২+১৮)। সীমান্ত ও স্পর্শকাতর অঞ্চল হিসেবে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, মালদায় ১৮ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি মোতায়েনের রূপরেখা নির্ধারিত করেছে কমিশন। উত্তরবঙ্গে কোচবিহারে ১৫, জলপাইগুড়িতে ১০, দার্জিলিংয়ে ১১ এবং আলিপুরদুয়ারে ৭ কোম্পানি রাখা হচ্ছে।
জঙ্গলমহলে বিশেষ নজর— পুরুলিয়ায় ২০, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০, বাঁকুড়ায় ১৩ এবং ঝাড়গ্রামে ১১ কোম্পানি। শিল্পাঞ্চল ও শহরতলিতেও কড়াকড়ি—ব্যারাকপুরে ১৯, বসিরহাটে ১৭, বারাসতে ১১, হাওড়া কমিশনারেটে ১০ এবং হাওড়া গ্রামীণে ১১ কোম্পানি। নদিয়ায় কৃষ্ণনগরে ১৩ ও রানাঘাটে ৯ কোম্পানি মোতায়েন হবে।
কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথ এলাকা পরিদর্শন, ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি এবং যে কোনও অভিযোগ সরেজমিন খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেবে। মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত হবে ভোটের দফা।