আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে সংবিধান অনুযায়ী একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই তিন সদস্যের কাউন্সিলই দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবে। কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য হিসেবে রয়েছেন খামেনি ঘনিষ্ঠ ধর্মীয় নেতা আলী রেজা আরাফি। বাকি দুই সদস্য হলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেই।
ইরানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে সাধারণত প্রভাবশালী আলেমরাই আসীন হয়েছেন। খামেনির আগে রুহোল্লাহ খোমেনি এই পদে ছিলেন। এত দিন যে দায়িত্ব একজনই পালন করতেন, এখন তা অস্থায়ীভাবে তিন জনের মধ্যে ভাগ হয়েছে। তবে এই কাউন্সিলে একমাত্র ধর্মীয় নেতা হওয়ায় আরাফির প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
Advertisement
আরাফি বর্তমানে ইরানের প্রভাবশালী সংস্থা অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যান। এই সংস্থাই দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচন করে। অতীতে তিনি গার্ডিয়ান কাউন্সেলের সদস্য ছিলেন। যারা নির্বাচনে প্রার্থী অনুমোদন এবং পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইন পর্যালোচনার দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি দেশের ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত।
Advertisement
যদিও খামেনির ঘনিষ্ঠ বৃত্তে তাঁর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ, তবু জাতীয় রাজনীতিতে তিনি এত দিন তুলনামূলকভাবে আড়ালেই ছিলেন। সামরিক মহলের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি ঘনিষ্ঠতার কথা খুব একটা শোনা যায় না। আপাতত অন্তর্বর্তী কাউন্সিলের হাতেই ইরানের শাসনভার ন্যস্ত রয়েছে।
Advertisement



