• facebook
  • twitter
Sunday, 1 March, 2026

৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল খামেনির ঠিকানায়

শনিবার তেহরানে একযোগে ব্যাপক বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়। একাধিক সরকারি দপ্তর ও সামরিক ঠিকানা ধ্বংস করা হয়

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে প্রায় ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে তাঁর নির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করার পর সেটিকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয় এবং তারপরই ইজরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে ধারাবাহিকভাবে বোমাবর্ষণ করা হয়।

খবরে আরও বলা হয়েছে, ইজরায়েল ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আগে থেকেই জানত যে খামেনি ওই ঠিকানাগুলিতে রাজনৈতিক ও সামরিক শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেন। দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় ছিল দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা। শনিবার সেই সুযোগ মিলতেই সমন্বিত হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Advertisement

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেদিন তিনটি সম্ভাব্য ঠিকানায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। গোয়েন্দারা আগেই সেগুলি চিহ্নিত করে রেখেছিলেন। অত্যন্ত নিখুঁত নজরদারির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে খামেনি কোন স্থানে উপস্থিত রয়েছেন। এরপরই লক্ষ্যভেদী হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, ওয়াশিংটনের কাছে তথ্য ছিল যে ইরান আমেরিকার একাধিক স্থানে হামলার পরিকল্পনা করছে। সম্ভাব্য নির্দেশ জারির আশঙ্কায় আগে থেকেই পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি নেয় খামেনি প্রশাসন। তবে সেই গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট দ্রুত ইরানে হামলার নির্দেশ দেন।

Advertisement

শনিবার তেহরানে একযোগে ব্যাপক বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়। একাধিক সরকারি দপ্তর ও সামরিক ঠিকানা ধ্বংস করা হয়। পরে জানানো হয়, ওই হামলায় খামেনি ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসেরজাদা, কমান্ডার ইন চিফ মোহম্মদ পাকপোর এবং তাঁর পরিবারের কয়েক জন সদস্য নিহত হয়েছেন। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। তারা শুধু ইজরায়েল নয়, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করে আক্রমণ চালায়, ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

 

Advertisement