এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট কার্যকর করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। সিএএ-তে আবেদনকারীদের নথি যাচাই করবে এই কমিটি। তবে ভোটের আগে হঠাৎ এই পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে।
Advertisement
তৃণমূলের অভিযোগ, এসআইআরে বহু মতুয়ার নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা থেকেই ক্ষোভ সামলাতে এই উদ্যোগ। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর প্রশ্ন তুলেছেন, এতদিন পরে কেন কমিটি? তাঁর দাবি, ভোটের মুখে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা সিএএ-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব পাবেন। সেই প্রক্রিয়া সহজ করতেই কমিটি।
Advertisement
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর ২৪ পরগনায় মতুয়া ও নমঃশূদ্র মিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। ২০১৯-এর পর বহু নির্বাচনে এঁদের বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। এখন তাঁদের মধ্যেই অনিশ্চয়তা বাড়ছে। নাগরিকত্ব পেতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় বিভ্রান্তি কাটছে না। ফলে সার ও সিএএ ইস্যুতে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।
Advertisement



