• facebook
  • twitter
Sunday, 15 February, 2026

হোলি উপলক্ষে যাত্রীদের স্বস্তি, চার জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে নর্থইস্ট

রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হোলির সময় বহু মানুষ কর্মস্থল থেকে নিজের বাড়িতে ফিরতে চান। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

হোলির সময় বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে। যাত্রীদের সুবিধার্থে চার জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উৎসবের মরসুমে নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, চলতি বছরে উৎসবের ভিড় সামাল দিতে ভারতীয় রেল দেশজুড়ে প্রায় ১,৫০০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ যাত্রী সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

Advertisement

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত চার জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। এগুলি চলবে নিম্নলিখিত রুটে—

Advertisement

  • নারেঙ্গি–গোরখপুর–নারেঙ্গি

  • কাটিহার–অমৃতসর–কাটিহার

  • ডিব্রুগড়–ঝাঁঝরপুর–ডিব্রুগড়

  • ডিব্রুগড়–কলকাতা–ডিব্রুগড়

এই বিশেষ ট্রেনগুলি ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দিনে একাধিক ট্রিপে চলবে। এর ফলে নিয়মিত ট্রেনের উপর চাপ কমবে এবং যাত্রীরা সময়মতো নিজের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হোলির সময় বহু মানুষ কর্মস্থল থেকে নিজের বাড়িতে ফিরতে চান। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ট্রেনগুলির স্টপেজ এবং সময়সূচি রেলের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রীদের যাত্রার আগে সমস্ত তথ্য যাচাই করার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গুয়াহাটির মালিগাঁওয়ে সদর দপ্তর থাকা নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের আটটি রাজ্য ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সাতটি জেলা এবং বিহারের পাঁচটি জেলায় পরিষেবা দিয়ে থাকে। প্রতি বছরই বিভিন্ন উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিশেষ ট্রেন চালানো হয়।

এদিকে, সম্প্রতি অসমের গোহপুর থেকে নুমালিগড় পর্যন্ত প্রায় ১৫.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বৈত টানেল নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যাত্রাপথ ২৪০ কিলোমিটার থেকে কমে ৩৪ কিলোমিটার হবে এবং সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement