রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে কি খেলতে দেখা যাবে বাংলাকে? উত্তরটা হয়তো সময়ই দেবে। তবে একটা সময় দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বাংলা দলকে যেভাবে লড়াইয়ে ফেরালেন সুদীপ ঘরামি, তা নিঃসন্দেহে বিশেষ প্রশংসনীয়। তাঁর দ্বিশতরানে ভর করে তৃতীয় দিনের শেষে ইতিমধ্যেই ১২৩ রানে লিড নিয়েছে তারা। ম্যাচে দ্বিতীয় দিন ১১২ রানে নট আউট ছিলেন সুদীপ। সেই সময় বাংলা পিছিয়ে ছিল ৯৬ রানে।
দ্বিতীয় দিনের শেষে সুদীপের সঙ্গে ২২ রানে তাঁর সঙ্গে অপরাজিত অবস্থায় ক্রিজে ছিলেন সুমন্ত গুপ্ত। লিড পেতে এই জুটির দিকেই তাকিয়েছিল বাংলা দল। শেষপর্যন্ত ভরসার মর্যাদা রাখলেন তাঁরা । প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রপ্রদেশের ২৯৫ রানের জবাবে একটা সময় ১৫৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে সুদীপ, সুমন্ত জুটিতে উঠল ১৬৫ রান। রান তাড়া করতে নেমে তাঁদের ব্যাটিং দাপটেই অন্ধ্রের রান টপকে লিড নেয় বাংলা।
Advertisement
তৃতীয় দিনের শুরু ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে যখন সাজঘরে ফিরছেন সুমন্ত, বাংলার স্কোরবোর্ডে তখন ৩১৮। আর এরপরেই আট নম্বরে নেমে দুরন্ত খেলতে থাকেন উইকেটরক্ষক শাকির গান্ধী। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর মজবুত ডিফেন্সকে টলাতে পারলেন না অন্ধ্রপ্রদেশের কোনও বোলার। দিনের শেষে দ্বিশতরান করলেন সুদীপ ঘরামি। ২৬ বয়সী এই ব্যাটসম্যান অপরাজিত ২১৬ রানে। খেলেছেন ৪৫১ বল।
Advertisement
এই প্রসঙ্গে বলা যায়, চলতি মরশুমের রনজি ট্রফিতে তাঁর ব্যাট যেন কথা বলেছে। এদিন কোয়ার্টার ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হল না। তৃতীয় দিনের শেষে ১২৩ রানে এগিয়ে বাংলা। তাই, বড় কোনও অঘটন না হলে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছানো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা অভিমুন্য ঈশ্বরণের দলের জন্য। পাশাপাশি, এই ম্যাচে জিততেও পারে বাংলা। কারণ দলে রয়েছে মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার, শাহবাজ আহমেদের মতো একাধিক অভিজ্ঞ বোলার রয়েছে। চতুর্থ দিনের শুরুতে হয়তো ছবিটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
Advertisement



