• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 24 July, 2026

ফের শওকত-আরাবুল দ্বন্দ্বে উতপ্ত ভাঙড়

আরাবুলের ছেলে তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হাকিমুল ইসলামের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ

ফের শওকত-আরাবুল দ্বন্দ্বে উতপ্ত ভাঙড়

রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের অশান্ত ভাঙড়। রবিবার সকালে আরাবুল ইসলামের পুত্র হাকিমুল মোল্লা বনাম তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ভাঙড়ে। আরাবুলের ছেলে তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হাকিমুল ইসলামের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে ‘গদ্দার’ স্লোগান। একই সঙ্গে তৃণমূল নেতা প্রদীপ মণ্ডলকে মারধরের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। দুই ঘটনাতেই আঙুল শওকতের অনুগামীদের দিকে। শওকতের নামে লাগাতার কুৎসা, অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে দাবি ওই গোষ্ঠীর। মারধর, চিৎকার-চেঁচামেচি, গাড়ি ভাঙচুর নিয়ে উত্তেজনা চরমে।

তৃণমূলের একাংশের দাবি, পরিকল্পিত ভাবেই শওকত মোল্লার অনুগামীরা হাকিমুলের উপর চড়াও হন। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও শওকত মোল্লা এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘দলে গদ্দারদের কোনও জায়গা নেই। সাধারণ মানুষ ওদের মানে না।‘

ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার রাতের দিকে। ওইদিন বিকেলে ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতাদের একাংশ। দলে ছিলেন হাকিমুল ইসলাম, কাইজার আহমেদ, ওদুদ মোল্লারা।  সেখান থেকে ফেরার পর রাতেই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ওদুদ মোল্লার কাঁঠালিয়ার বাড়িতে শওকত অনুগামীরা চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। এই খবর পেয়ে সন্ত্রস্ত ওদুদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার সকালে তাঁর বাড়িতে যান হাকিমুল, কাইজাররা। সেখান থেকে বেরনোর সময়ই বিক্ষোভের মুখে পড়েন হাকিমুল।

শওকত অনুগামীরা হাকিমুলের গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দিতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের খানিক ধস্তাধস্তিও হয়। অবশেষে পুলিশ হাকিমুলকে নিরাপদে বের করে নিয়ে যান। এ নিয়ে হাকিমুল সরাসরি বিধায়ক শওকত মোল্লার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘শওকতের দলবল রাতে ওদুদের বাড়ি গিয়ে খুনের হুমকি দিয়েছিল। আজ আমার গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। ওদের দাপটে এই এলাকা অস্থির হয়ে উঠছে। সকলে আতঙ্কিত। পুলিশ ব্যবস্থা নিক।‘