• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 1 August, 2026

মহিলাকে শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ কাণ্ডের দোষী

জুনায়েদ খান ও নাসির খানের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁদের উপর চড়াও হন। অভিযোগ, মহিলাকে একাধিকবার অশালীনভাবে স্পর্শ করা হয়।

মহিলাকে শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ কাণ্ডের দোষী

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলের নাইটক্লাবে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ২০১২ সালের পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া নাসির খানও। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করেছে বিধাননগর পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে। অভিযোগকারী মহিলার দাবি, সেদিন তিনি তাঁর স্বামী ও বন্ধুদের সঙ্গে ওই নাইটক্লাবে পার্টি করছিলেন। সেই সময় জুনায়েদ খান ও নাসির খানের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁদের উপর চড়াও হন। অভিযোগ, মহিলাকে একাধিকবার অশালীনভাবে স্পর্শ করা হয়। মহিলার আরও অভিযোগ, তাঁর দাদা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাঁর দিকে কাঁচের গ্লাস ও বোতল ছুঁড়ে মারেন। এরপর প্রায় ২০ জনকে ডেকে এনে তাঁরা ক্লাবের ভিতরেই ফের হামলা চালান এবং দরজা বন্ধ করে মহিলা ও তাঁর সঙ্গীদের বেরোতে বাধা দেন।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমার জানিয়েছেন, ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের তরফে অভিযোগকারিণীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী দুই পক্ষ একে অপরের পরিচিত ও ঘটনার দিন একই টেবিলে বসেছিলেন। সেই টেবিলটি বুক করেছিলের অভিযুক্তদের মধ্যে একজন। প্রথমে তর্কবিতর্ক থেকেই বচসা শুরু হয়, পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের। সমস্ত অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।

পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ মামলার অন্যতম দোষী নাসির খান ২০১২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন এবং আদালত তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। তবে মুক্তির পাঁচ বছরের মাথায় ফের নতুন এক শ্লীলতাহানির মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে পড়ায় নতুন করে শোরগোল পড়েছে।