• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 13 June, 2026

নভেম্বরেই রাজ্যে হতে চলেছে এসআইআর

সূত্রের খবর, সব রাজ্যের সিইওদের নিয়ে দিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে এই বিষয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

অক্টোবরের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর–এর প্রস্তুতি শেষ করতে হবে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নভেম্বরেই শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। সূত্রের খবর, সব রাজ্যের সিইওদের নিয়ে দিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে এই বিষয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গ-সহ অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরীতেও নভেম্বর মাসের প্রথমেই শুরু হতে পারে এসআইআর–এর প্রথম পর্যায়ের কাজ। বৃহস্পতিবার এই পাঁচ রাজ্যের সিইও–দের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেন নির্বাচন কমিশনার।

বুধ ও বৃহস্পতিবার সব রাজ্যের সিইওদের নিয়ে দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকটোরাল ম্যানেজমেন্টে আয়োজিত হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক। এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দুই কমিশনার ড. সুখবীর সিং সান্ধু ও ড. বিবেক জোশি। পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের সিইওদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছেন, অক্টোবরের মধ্যেই তাঁদের রাজ্যে এসআইআর–এর প্রস্তুতি শেষ করতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও কেরলে ভোট রয়েছে। সেই কারণে এই রাজ্যগুলিতে এসআইআর–এর প্রথম দফার কাজ সেরে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে রাজ্যগুলিতে ২০২৭ সালে নির্বাচন হবে সেই রাজ্যগুলির ভোটার তালিকা সংশোধন পরবর্তী ধাপে করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। যদিও এবিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

গত ১০ সেপ্টেম্বর এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাথমিক বৈঠক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ভোটার সংখ্যা, শেষবার ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় এবং বর্তমান তালিকার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন বিএলও, বিএলএ, ডিইও, ইআরও, এইআরও–দের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের কাজ করছে। এই কাজের জন্য সময়সীমাও বেধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো তালিকার সঙ্গে নতুন তালিকা মিলিয়ে দেখা, নির্বাচনের আগে কর্মীদের প্রস্তুতি ইত্যাদির কাজও চলছে। ভোটার তালিকায় ভুল আটকানোই প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক শীর্ষ কর্তা।