• facebook
  • twitter
Friday, 16 January, 2026

কর্নাটকের এসবিআইয়ে ২০ কোটির ডাকাতি, মহারাষ্ট্রের বাড়ির ছাদ থেকে মিলল টাকা-গয়না

পুলিশের দাবি, ডাকাতরা ভুয়ো নম্বরপ্লেট লাগানো গাড়ি ব্যবহার করেছিল। লুটের পর তারা সেই গাড়িতেই মহারাষ্ট্রের দিকে রওনা দেয়।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

সিনেমার কাহিনীকেও হার মানাবে এই ডাকাতির ঘটনা। অবশেষে তদন্তে নতুন মোড়। কর্নাটকের চড়াচন শহরে এসবিআই শাখা থেকে লুট হওয়া নগদ টাকা ও গয়নার কিছু অংশ উদ্ধার হল মহারাষ্ট্রে। যদিও উদ্ধার হওয়া টাকার অঙ্ক এবং সোনার গয়নার পরিমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি পুলিশ।

পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায়, ডাকাতদল মহারাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়েছে। এরপর কর্নাটক পুলিশ মহারাষ্ট্র পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যৌথভাবে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পান্ধারপুরের মঙ্গলবেদ তালুকের হুলজান্তি এলাকায় তল্লাশির সময় একটি বাড়ির ছাদ থেকে মিলেছে দু’টি ব্যাগ। একটিতে নগদ টাকা, অন্যটিতে সোনার গয়না পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার দুপুরে কর্নাটকের চড়াচন শহরের এসবিআই শাখায় এই চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। তিন জন দুষ্কৃতী ছিল সেনার পোশাকে, তারা মুখে মুখোশ পরে ঢোকে ব্যাঙ্কে। তখন কর্মীরা ব্যস্ত ছিলেন কাজে। আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার-সহ কর্মীদের বেঁধে শৌচাগারে আটকে ফেলা হয়। তার পর অবাধে লুট চলে। প্রায় ২০ কোটি টাকার সোনার গয়না এবং নগদ এক কোটি টাকা লুঠ করে ডাকাতরা।

Advertisement

পুলিশের দাবি, ডাকাতরা ভুয়ো নম্বরপ্লেট লাগানো গাড়ি ব্যবহার করেছিল। লুটের পর তারা সেই গাড়িতেই মহারাষ্ট্রের দিকে রওনা দেয়। পথে সোলাপুর জেলায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গাড়িটি। স্থানীয়দের সঙ্গে বচসাও হয়। এরপর ডাকাতরা পান্ধারপুরের দিকে পালিয়ে যায়। যদিও দুষ্কৃতীরা এখনও ধরা পড়েনি, তবে উদ্ধার হওয়া টাকা ও গয়না পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

কর্নাটক ও মহারাষ্ট্র পুলিশের যৌথ তদন্তে এখন প্রধান লক্ষ্য— পালানো ডাকাতদের গ্রেপ্তার। সেই লক্ষ্যে দুই রাজ্যের সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

Advertisement