ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন ওড়িশা সিভিল সার্ভিসের এক ‘টপার’। সম্বলপুর জেলার বামরার তহসিলদার পদে কর্মরত ওই আধিকারিককে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে রাজ্য ভিজিল্যান্স। পরে তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ।
ধৃত আধিকারিকের নাম অশ্বিনী কুমার পান্ডা। রাজ্য ভিজিল্যান্স সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি তাঁর কৃষিজমিকে বাস্তুজমিতে রূপান্তরের জন্য আবেদন জানাতে গেলে, তহসিলদার অশ্বিনী কুমার তাঁর কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগকারীর পক্ষে সেই টাকা দেওয়া সম্ভব নয় জানালে, ঘুষের অঙ্ক কমিয়ে ১৫ হাজারে নামান তহসিলদার। কিন্তু ঘুষ ছাড়া কাজ হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
Advertisement
এরপর ওই ব্যক্তি রাজ্য ভিজিল্যান্স দপ্তরে সরাসরি অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতে ভিজিল্যান্স। নির্ধারিত দিনে অভিযোগকারীর গাড়িচালক ওই টাকা পৌঁছে দিতে গেলে, সেই সময়ই তহসিলদারকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করেন ভিজিল্যান্সের আধিকারিকেরা।
Advertisement
এরপর ভিজিল্যান্সের একটি দল অশ্বিনী কুমারের সম্বলপুর ও ভুবনেশ্বরের দুটি বাসভবনে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত তহসিলদার অশ্বিনী কুমার পান্ডা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক ডিগ্রিধারী। ২০১৯ সালে ওড়িশা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শীর্ষস্থান লাভ করেন তিনি।
২০২১ সালে ট্রেনিং রিজার্ভ অফিসার হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। পরবর্তীকালে ময়ূরভঞ্জ জেলার সামাখুঁটার তহসিলদার পদে এবং পরে বদলি হয়ে সম্বলপুরে আসেন। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে ভিজিল্যান্স। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement



