মাথা কেটে এক ভারতীয় প্রৌঢ়কে হত্যা করা হল। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি আমেরিকার ডালাসের। পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত প্রৌঢ়ের নাম চন্দ্র নাগামাল্লাইয়াহ্ (৫০)। তিনি কর্ণাটকের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই ডালাসে রয়েছেন চন্দ্র। তাঁর স্ত্রী এবং ১৮ বছরের পুত্র আছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে আমেরিকার পুলিশ। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তারা।
চন্দ্র নাগামাল্লাইয়াহ্ আমেরিকার ডালাসে রাস্তার ধারে একটি ছোট হোটেল চালাতেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর হোটেলে কাজ করতেন। পুলিশের ধারণা, হোটেলের কোনও বিষয় নিয়েই দু’জনের মধ্যে ঝামেলা হয়। এরপরই অভিযুক্ত ইয়োরডানিস কোবোস-মার্টিনেজ ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাড়া করে প্রৌঢ়কে খুন করেন। কাটা মুণ্ডুতে লাথিও মারেন তিনি। ছিন্ন মুণ্ড নিয়ে তাঁর হেঁটে যাওয়ার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
Advertisement
চন্দ্র নাগামাল্লাইয়াহ্-র হোটেলের ওয়াশিং মেশিনটি সম্প্রতি ভেঙে গিয়েছিল। সেই কারণে ওই ভাঙা ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিলেন তিনি। প্রথমে মালিকের নির্দেশ বুঝতে পারেননি অভিযুক্ত। এই নিয়েই দু’জনের বচসা শুরু হয়। এরপর ধারালো অস্ত্র হাতে তুলে ইয়োরডানিস এগিয়ে যান মালিকের দিকে। তাঁকে একাধিক বার কোপ মারেন। প্রৌঢ়ের স্ত্রী-পুত্র বেরিয়ে এসেও চন্দ্রকে বাঁচাতে পারেননি। এরপর ধারালো ওই অস্ত্র দিয়ে প্রৌঢ়ের মাথা কেটে ফেলেন অভিযুক্ত।
Advertisement
সেই সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাঁর পোশাক গ্রেপ্তারির সময় রক্তমাখা ছিল। ভারতীয় দূতাবাস সমাজমাধ্যমে লিখেছে, ‘চন্দ্র নাগামাল্লাইয়াহ্-র দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুতে আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। চন্দ্র ভারতের কর্ণাটকের বাসিন্দা। ডালাসে কর্মস্থলে তাঁকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে সকল সহযোগিতা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত এখন ডালাস পুলিশের হেফাজতে।’
Advertisement



