বালুচিস্তানে (Balochistan) এবার পাক সেনার কনভয়কে নিশানা করল বালুচ লিবারেশন ফ্রন্ট বা বিএলএফ-এর সদ্য গড়ে ওঠা মহিলা শাখা ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’ বা কেএএডি। মঙ্গলবার হামলার ভিডিও প্রকাশ করে বিএলএফ দাবি করেছে, তুরবাতের জোসক এলাকায় কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স বা কিউআরএফ-এর কনভয়ে হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ৯ জন সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিএলএফের দাবি, সোমবার বালুচিস্তানের (Balochistan) কেচ জেলার তুরবাত শহরের কাছে সিপিইসি মহাসড়কে কিউআরএফের তিনটি গাড়ির কনভয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালায় কেএএডি-র মহিলা যোদ্ধারা। প্রকাশিত ভিডিওয় এক মহিলা কমান্ডারকে অভিযানের আগে যোদ্ধাদের নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে। এরপর কনভয়ের দিকে গুলি চালাতে দেখা যায় তাঁদের। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বাড়ল দুর্গাপুজোর অনুদান সঙ্গে ছুটিও
বিএলএফ জানিয়েছে, মহিলা বাহিনীর অভিযানে সহযোগিতা করেছিল তাদের এলিট ‘কুরবান ইউনিট’। হামলার পরে পাক বাহিনী কেএএডি যোদ্ধাদের ঘিরে ফেলার চেষ্টা করলে কুরবান ইউনিট তাদের সরে যেতে সাহায্য করে বলে দাবি সংগঠনের। এই অভিযানে কুরবান ইউনিটের এক যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
এছাড়া প্রকাশিত অন্য একটি ভিডিওয় কালাতের মাংচার এলাকায় যানবাহনে তল্লাশি চালাতে দেখা গিয়েছে কেএএডি-র সদস্যদের। বিএলএফের দাবি, দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর এই মহিলা ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। কানাডায় ২০২০ সালে রহস্যজনকভাবে মৃত বালুচ মানবাধিকার কর্মী করিমা বালুচের নামে ইউনিটটির নাম রাখা হয়েছে। করিমা ছিলেন বালুচ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন-আজাদের প্রথম মহিলা চেয়ারপার্সন।
আরও পড়ুন: কাশ্মীরের বদগাঁওয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত লস্কর-ই তৈবার শীর্ষ নেতা
বালুচিস্তানে (Balochistan) সাম্প্রতিক সময়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির হামলা বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চে বিএলএফ এবং বালুচ লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ-সহ কয়েকটি গোষ্ঠী যৌথ মঞ্চ গড়ার কথা জানায়। তার পর পাকিস্তানি নিরাপত্তাবাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলার দাবি করেছে বালুচ গোষ্ঠীগুলি।
তবে এসব হামলার ক্ষেত্রে জঙ্গি সংগঠনগুলির দেওয়া হতাহতের হিসাব এবং ঘটনার বিবরণ যাচাই করা কঠিন। ফলে তুরবাতের হামলায় ৯ জন পাক সেনা নিহত হওয়ার দাবিটিও আপাতত বিএলএফের বক্তব্য হিসেবেই থাকছে।
দেখুন:




