• facebook
  • twitter
Saturday, 25 April, 2026

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, সরাসরি বৈঠকে নারাজ ইরান

উভয় পক্ষের জটিল অবস্থান ও কৌশলের কারণে ইসলামাবাদের এই শান্তি উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখনও গভীর অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলেও অনিশ্চয়তা কাটছে না। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত বৈঠকে অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে এখনও কঠোর অবস্থানে রয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা সরাসরি মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না। তাদের প্রস্তাব প্রথমে পাকিস্তানের কাছে পেশ করা হবে, এরপর ইসলামাবাদ সেই বার্তা ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেবে। মার্কিন প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে ইরান।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ভূমিকা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। প্রথমে তাঁর ইসলামাবাদ সফরের কথা শোনা গেলেও পরে হোয়াইট হাউস জানায়, আলোচনায় অগ্রগতি হলেই তিনি সেখানে যেতে পারেন। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইরান নীতি নিয়ে ট্রাম্প ও ভ্যান্সের মধ্যে মতপার্থক্যও এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

Advertisement

এদিকে ইরানের তরফে আলোচনায় অংশ নিতে পৌঁছেছেন বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-সহ শীর্ষ কূটনীতিকরা। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। তবে জল্পনা রয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধিদল পৌঁছানোর আগেই ইরানি প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদ ছাড়তে পারেন।

পাশাপাশি নতুন করে চাপ বাড়াতে চাইছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের সামনে ‘ভাল চুক্তি’র সুযোগ রয়েছে—তবে তার জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্বচ্ছতা এবং হরমুজ খোলা রাখার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

সব মিলিয়ে, উভয় পক্ষের জটিল অবস্থান ও কৌশলের কারণে ইসলামাবাদের এই শান্তি উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখনও গভীর অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

Advertisement