পাকিস্তানের ফৈসলাবাদ জেলায় এক শিখ ছাত্রীর উপর নৃশংস হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি বেসরকারি স্কুলে ওই ছাত্রীর পাগড়ি জোর করে খুলে দেওয়া হয় এবং তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
খবর অনুযায়ী, ফৈসলাবাদের ওয়ারিসপুরা এলাকার একটি স্কুলে এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত ছাত্রী শিখ ধর্মের নিয়ম মেনে পাগড়ি পরতেন। অভিযোগ, স্কুলে প্রার্থনায় অংশ নিতে অস্বীকার করায় তাকে জোর করে পাগড়ি খুলে দেওয়া হয়। এরপর তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
Advertisement
ছাত্রীর পরিবারের দাবি, মারধরের সময় তাকে লাথি ও ঘুষি মারা হয়। ওই ছাত্রী শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভোগেন বলেও জানা গিয়েছে। সেই অবস্থাতেও তাকে কোনও সহানুভূতি দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। পরিবারের আরও দাবি, অন্য এক বোন সাহায্য করতে গেলে তাকেও বাধা দেওয়া হয়।
Advertisement
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে শিখ সমাজের বিভিন্ন সংগঠন। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে। তবে পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে যথেষ্ট সহযোগিতা মেলেনি। এই ঘটনার পর পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মহলের মতে, এমন ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং বৃহত্তর সমস্যা তুলে ধরছে।
Advertisement



