সকাল থেকেই আকাশ কালো করে বৃষ্টি (Rain) নেমেছে। কলকাতার বেশ কিছু জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কলকাতার প্রাণকেন্দ্র পার্ক স্ট্রিটে এক হাঁটু জল জমেছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি (Rain) হচ্ছে। বুধবার থেক বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও পুরোপুলি রেহাই মিলবে না বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (West Bengal Weather Forecast)।
এদিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সমস্ত জেলাতেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Rain) পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কলাকাতাতেও আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে এবং হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ১১ সদস্যের উদ্ধারকারী দল ও ৫.৫ টন ওষুধ নিয়ে ভারত থেকে নেপালে গেল বিমান
তবে দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে ভারী বৃষ্টির (Rain)সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। এই তিন জেলায় বুধবার ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার কিছু উন্নতি হতে পারে। তবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে (West Bengal Weather Forecast)।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের আশঙ্কা কাটছে না। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির (Rain) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি চলতে পারে।
এদিকে, রাতভর টানা বৃষ্টিতে (Rain) জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বীরভূমের বোলপুর শহরের একাধিক এলাকা। বিভিন্ন রাস্তা ও নিচু এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: কৃষকের হাতের মুঠোয় প্রযুক্তি, এল ডিজিটাল এগ্রিটেক প্ল্যাটফর্ম ‘ফার্ম সান্টা’
বোলপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডেও জল জমেছে। কোথাও রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে রয়েছে, আবার কোথাও বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চত্বরে জল ঢুকে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে, দুবরাজপুর ব্লকের বালিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মেজে ও বেলসাড়া গ্রামের মাঝের শাল নদীর ভাসা সেতুর উপর দিয়ে জল বইছে। ফলে ওই পথ দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয়রা।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/Z8NwHIiC2-o?si=wCJs3k2vewRwv5xb” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>