• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 20 July, 2026

লজ্জাজনক! বিশ্বকাপ ফাইনালের পর স্প্যানিশ তারকার গলা টিপে ধরলেন মেসির সতীর্থ, দেখলেন দ্বিতীয় লাল কার্ড

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজেই এগিয়ে এসে ফুটবলারদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ অফিসিয়াল এবং দুই দলের কোচিং স্টাফ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

লজ্জাজনক! বিশ্বকাপ ফাইনালের পর স্প্যানিশ তারকার গলা টিপে ধরলেন মেসির সতীর্থ, দেখলেন দ্বিতীয় লাল কার্ড

Photo: X

বিশ্বকাপ ফাইনালের ১২০ মিনিটের লড়াই তখন শেষ। স্পেনের ফুটবলাররা তখন বিশ্বজয়ের উল্লাসে মাতোয়ারা। ঠিক সেই মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেটলাইফ স্টেডিয়ামের পরিবেশ। হারের যন্ত্রণা সামলাতে না পেরে স্পেনের ফুটবলারদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার। মেজাজ হারিয়ে বড় বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন লিওনেল মেসির সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের এক ফুটবলারের গলা টিপে ধরার অভিযোগে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই তাঁকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে স্পেন ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে। টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় মেসিদের। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের ফুটবলাররা সেলিব্রেশনে মেতে ওঠেন। সেই সময়েই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে হাতাহাতির রূপ নেয়।

টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, উত্তেজনার মধ্যে পারেদেস স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা টিপে ধরেন। এরপর গাভিকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন তিনি। সহকারী রেফারির সামনেই ঘটনাটি ঘটায় রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পারেদেসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন। ম্যাচ চলাকালীন এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখেছিলেন। ফলে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে দ্বিতীয় লাল কার্ডও দেখতে হয় এ দিন।

ঘটনার পর দুই দলের ফুটবলাররা একে অপরকে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকেন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজেই এগিয়ে এসে ফুটবলারদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ অফিসিয়াল এবং দুই দলের কোচিং স্টাফ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মহামঞ্চে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হারের হতাশা যতই থাকুক, এমন আচরণ কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফিফাও ঘটনার ভিডিও এবং ম্যাচ রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পারেদেসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।