অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার অফিস ভাঙা নিয়ে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। সেই সঙ্গে আমতলার ওই অফিস থেকে কী কী সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট রাজ্যকে আদালতে জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের একটি কপি পরবর্তী শুনানির আগে আবেদনকারী তৃণমূল কংগ্রেসকেও দিতে হবে।
শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী কিশোর দত্ত জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে জায়গাটি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৫০৭, ৫০৯ এবং ৫১২ দাগ নম্বর ঘিরে একাধিক সমস্যার কথা আদালতে তুলে ধরা হয়। রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৫০৭ দাগে পূর্বতন শাসকদলের একটি অফিস রয়েছে। ওই বিষয়ে সাক্ষীদের ডাকা হলেও তাঁরা সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসেননি বলে জানায় রাজ্য।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষের আইনজীবী কিশোর দত্ত মঙ্গলবার আদালতে জানিয়েছেন, ৫০৯ দাগে মতি মল্লিকের ঘর রয়েছে বলে আদালতকে জানানো হয়। ৫১২ দাগটি লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। পুরসভার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে রাজ্যের দাবি, অনুমোদিত নির্মাণের বাইরে প্রায় ৬.৫ মিটার নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: পুজোর মুখে সুখবর, ব্যারাকপুরে থামবে মা তারা এক্সপ্রেস, সময়সূচি জানেন?
তবে শুনানির মাঝেই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। রাজ্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁর প্রশ্ন, ‘পঞ্চায়েত পর্যন্ত যাওয়ার পর কি আপনার আর দায়িত্ব থাকে না?’ এরপরই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর তালিকা-সহ রাজ্যের রিপোর্টের প্রতিলিপি মামলাকারীকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৬ নভেম্বর।




