উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সংশোধিত তালিকা আগেই প্রস্তুত হয়েছিল। এবার সেই তালিকা অনুযায়ী ডাক পাওয়া শিক্ষক পদপ্রার্থীদের ইন্টারভিউ এবং তথ্য যাচাই করতে ডাকল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্টারভিউ চলবে। প্রথমদিন আছে বাংলা এবং অর্থনীতির ইন্টারভিউ। ৯ অক্টোবর তারিখেও অর্থনীতির ইন্টারভিউ রয়েছে। একইদিনে নেওয়া হবে ইতিহাসের ইন্টারভিউ। সংস্কৃত বিষয়ের ইন্টারভিউ চলবে ৯, ১২ এবং ১৩ অক্টোবর। ১২ এবং ১৩ অক্টোবর যথাক্রমে ইংরেজি এবং গণিতের ইন্টারভিউ রাখা হয়েছে। ২৭০০ জনেরও বেশি প্রার্থী এই ইন্টারভিউয়ে অংশে নেবে বলে এসএসসি সূত্রে খবর।
রাজ্যে পালাবদলের পর শীঘ্রই হবে শিক্ষক নিয়োগ বলে জানানো হয়েছিল। একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ এবং নথি যাচাইয়ের সময়সূচি প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। আর তাতেই খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে। অনেকেই মনে করছেন দুর্গাপুজোর আগে ইন্টারভিউ হয়ে গেলে উৎসব মিটতেই চাকরি মিলবে। ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, অনলাইন আবেদনের সপক্ষে সমস্ত মূল নথিপত্র বাধ্যতামূলকভাবে আনতে হবে ইন্টারভিউয়ের সময়ে।
গতকালই স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন টেট নিয়ে বড় ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো এবং সরস্বতীপুজোর মতো বছর বছর টেট হবে। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করেছিলেন দীপক বর্মন। তারপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দীর্ঘদিন আটকে আছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। এই নিয়োগ শেষে পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এমনকী প্রত্যেক বছর টেট হবে। আর তারপরই শুক্রবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদপ্রার্থীদের ইন্টারভিউ তারিখ প্রকাশ্যে নিয়ে এল এসএসসি।
তাছাড়া মিড-ডে মিলের পিএম পোষণ প্রকল্প নিয়ে একাধিক তথ্য সামনে এসেছে। একজন ছাত্র এলেও স্কুলকে মিড-ডে মিল প্রকল্প চালাতে হবে। মিড-ডে মিল ৮১ হাজার স্কুলের মধ্যে কিছু স্কুলে অ্যাকাউন্টস সমস্যার কারণে টাকা পৌঁছতে দেরি হয়। তবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের কুক কাম হেল্পারদের জন্য বরাদ্দ ৪২৪.৪৩৩৪ কোটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। রান্নার খরচ চালানোর জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টাকা দেওয়া আছে। অর্থের পরিমাণ ৫৭৩ কোটি। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত মিড-ডে মিল নিয়ে স্কুলগুলির কোনও সমস্যা হওয়ার কথাই নয়। প্যারাটিচার, এমএসকে, এসএসকে-সহ বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত প্রায় সকল কর্মীর পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা বেড়েছে।




