আজ মহালয়া। দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আগে বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিকতা জড়িয়ে রয়েছে মহালয়ার (Mahalaya) সঙ্গে। পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে সূচনা হয় দেবীপক্ষের। প্রথা মেনে মহালয়ার (Mahalaya) সকালে গঙ্গা ঘাটে ঘাটে ভিড় জমান বহু মানুষ। প্রয়াত পূর্বপুরুষদের এই দিন স্মরণ করা হয়। তাঁদের উদ্দেশে জলদান অর্থাৎ তর্পণ করা হয়। পূর্বপুরুষদের আত্মার তৃপ্তির জন্য এদিন তর্পণ করা হয়।
আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: বাঙালির ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে মহালয়ার ভোরের বীরেন্দ্রকৃষ্ণের ‘মহিষাসুরমর্দিনী’
‘তর্পণ’ শব্দটি উৎপত্তি সংস্কৃত ‘তৃপ’ ধাতু থেকে। এই শব্দের অর্থ হল তৃপ্তি সাধন করা। জল ও তিল নিবেদন করা হয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে। আবার ঋষি ও দেবতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাদের আত্মার তৃপ্তি ও শান্তির জন্যও তর্পণ করা হয়। তর্পণের সময় দেব-ঋষি এবং পূর্বপুরুষদেরর নাম উচ্চারণ করা হয়ে থাকে। এতে আত্মার তৃষ্ণা নিবারণ হয়ে শান্তি লাভ হয়।
আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপুজোর কি কোনও যোগ রয়েছে?
আজ ভোর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গঙ্গার ঘাটে উপস্থিত হয়েছেন বহু মানুষ। যা চলবে আজ দুপুর পর্যন্ত। তবে শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের শুভ মুহূর্তটি হল শনিবার সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভক্তিভরে পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ সারলে পরিবারে নেমে আসে স্বর্গীয় শান্তির অমলিন পরশ।
উক্ত অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গঙ্গার ঘাট গুলোতে রয়েছে পুলিশের বিশেষ নজরদারি। পুরুষ পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে মহিলা পুলিশের দুর্গা বাহিনী। এছাড়াও গঙ্গা নদীর উপরে নৌকা ও বোটের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে হুগলি রিভার ট্রাফিক গার্ড ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের দল ।
দেখুন: <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/WBXPWleJUWk?si=Dl7_Wfl4PJjSahhJ” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>