মহালয়ার আগের দিন বহু বাঙালি বাড়িতেই ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখা হয়। ঘুমের রেশ কাটিয়ে রেডিও-তে চালিয়ে দেওয়া হয় আকাশবাণী। এই অভ্যাস একদিনের নয়। কয়েক দশকের পুরনো ঐতিহ্য। আর তার পিছনে রয়েছে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে কালজয়ী অনুষ্ঠান ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ (Durga Puja)।
চণ্ডীপাঠ, ভক্তিগীতি এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণের দরাজ কণ্ঠে দেবী দুর্গার মাহাত্ম্য বর্ণনার মধ্য দিয়ে বাঙালির মনে বেজে ওঠে শারদোৎসবের সুর। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই অনুষ্ঠান মহালয়ার (Durga Puja) সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গিয়েছে যে, অনেকের কাছে আকাশবাণীর মহিষাসুরমর্দিনী ছাড়া মহালয়া অসম্পূর্ণ।
আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপুজোর কি কোনও যোগ রয়েছে?
মহালয়ার ভোরে আকাশবাণীতে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে কীরকমভাবে যেন জড়িয়ে গিয়েছে। দেবী দুর্গার (Durga Puja) আরাধনা ও স্তোত্রপাঠের আবহে তৈরি মহালয়ার এক আবেশ। ভোরের নিস্তব্ধতায় চণ্ডীপাঠ ও ভক্তিগীতির সুর মূর্চ্ছনা যেন দেবীর আগমনী বার্তা বয়ে নিয়ে আসে।
আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: দেবীপক্ষ কী এবং তার গুরুত্ব কী জানেন?
মহালয়া একই সঙ্গে পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার তিথি। এই দিনে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তর্পণ করা হয়। পূর্বপুরুষদের স্মরণ, ধর্মীয় আচার এবং রেডিও সম্প্রচার সব মিলিয়ে মহালয়ার ভোরে ঘুম থেকে ওঠা এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। তাই মহালয়া মানেই ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমন্দিনী (Durga Puja) শুনে দিন শুরু করা।
দেখুন:




