• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 9 October, 2026

বোধন থেকে বিসর্জন, রাজপথে থাকবে অতন্দ্র প্রহরা, দুর্গাপুজোকে আরও নিরাপদ করার সিদ্ধান্ত লালবাজারের

হাতে আর মাত্র ছয়দিন। তারপরে কলকাতা সহ সারা বাংলা সেজে উঠবে দুর্গাপুজোর উৎসবে। আর তার আগেই শহর কলকাতার নিরাপত্তার

বোধন থেকে বিসর্জন, রাজপথে থাকবে অতন্দ্র প্রহরা, দুর্গাপুজোকে আরও নিরাপদ করার সিদ্ধান্ত লালবাজারের

হাতে আর মাত্র ছয়দিন। তারপরে কলকাতা সহ সারা বাংলা সেজে উঠবে দুর্গাপুজোর উৎসবে। আর তার আগেই শহর কলকাতার নিরাপত্তার নিয়ে কড়া ভূমিকা নিল লালবাজার। বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থাকবে শহর কলকাতা। মহালয়ার পর থেকে কলকাতাকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়তে চলেছে লালবাজার।

লালবাজার সূত্রে খবর, এবারে দুর্গাপুজোতে কলকাতা পুলিশের যত ফোর্স রয়েছে তাদের সকলকে নিয়োগ করা হবে। শহরের অলি গলি থেকে শুরু করে রাজপথ, সর্বত্র মুড়ে ফেলা হবে কড়া নিরাপত্তায়।

কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এবছরে নিরাপত্তায় কোনোরকম খামতি রাখা হবে না, বরং দরকারে যাঁরা দপ্তরে থেকে কাজ করবেন তাঁদেরও রাস্তায় নামতে হতে পারে। দিন কয়েক আগে কলকাতা পুলিশের নগরপাল অজয় নন্দ বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সরেজমিনে বেশ কিছু পুজো মণ্ডপ পরিক্রমা করেছিলেন। সেখানেই স্পষ্ট জানিয়েছিলেন এবারের পুজোতে কোনোরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। আর তাঁর পরিক্রমার পরেই কার্যত সাজো সাজো রব লালবাজার জুড়ে। বলা যেতে পারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেজে উঠছে কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর।

নগরপালের নির্দেশিকার সূত্র ধরে কলকাতা পুলিশের অপর এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, উৎসবের সময় নগরবাসীকে নিরাপত্তা দেওয়া রেওয়াজ রয়েছে কলকাতা পুলিশের। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের ইন্টেলিজেন্স বিভাগকে আরও জোর কদমে কাজে লাগানো হয়েছে। বিশেষ করে যাতে কোথাও কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি ঘোরাফেরা না করতে পারে তার দিকে বিশেষ নজর থাকছে।
জানিয়েছেন, এবারের পুজোতে কলকাতা পুলিশের প্রত্যেকটা বিভাগ একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। প্রয়োজনমত কলকাতা পুলিশের আরএফএস(রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড) এবং এইচআরএফএস( হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড)কে কাজে লাগানো হবে। ওয়্যারলেস সংযোগকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সক্রিয় থাকছে কলকাতা পুলিশের সুসজ্জিত বিভিন্ন বাহিনী।

কলকাতা পুলিশের অ্যাম্বুলেন্স এবং রেডিও ট্রান্সমিশন ভেহিকলকে আরও সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। তবে শুধু কর্মীরাই নন, এবছরের দুর্গাপুজোয় পুলিশের শীর্ষ কর্তারাও থাকবেন রাস্তায়। অতি সক্রিয় থাকবে লালবাজারের কন্ট্রোলরুম। যে সময়ে কলকাতার বুকে মানুষের ঢল নামে, সেই সময় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য পুলিশকে আরও বেশি সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।