কলকাতার উৎসব তালিকায় ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে গণেশ পুজো (Ganesh Puja)। পয়লা বৈশাখ অর্থাৎ হালখাতার দিন ব্যবসায়ীরা আগে গণেশ পুজো (Ganesh Puja) করতেন। মহারাষ্ট্রে গণেশ পুজো সবচেয়ে বড় উৎসব। তবে গত কয়েক বছরে কলকাতার বিভিন্ন পাড়া, আবাসন এবং শহরতলিতেও ছড়িয়ে পড়েছে গণেশ পুজো।
কোথাও ছোট্ট পরিসরে পুজো তো কোথাও আবার দুর্গাপুজোর ধাঁচে তৈরি হয়েছে বড় মণ্ডপ। রঙিন আলো, নানা ধরনের ডেকোরেশন এবং থিমের ভাবনা তো রয়েছেই। ফলে গণেশ চতুর্থী ঘিরে কলকাতার রাস্তায় তৈরি হয়েছে নতুন উৎসবের আবহ। কুমোরটুলিতেও এবার গণেশের (Ganesh Puja) চাহিদা চোখে পড়েছে।
জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা হিসেবে পরিচিত গণেশ। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশের জন্ম হয়েছিল বলে ধর্মীয় বিশ্বাস। সাধারণত ১০ দিন চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ (Ganesh Puja) বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হয়।তবে বাংলায় একদিনই উৎসব হয়ে থাকে।
গণেশ পুজোয় মধ্যাহ্ন সময়কেই শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মধ্যাহ্নকালেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময় ছিল সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত। গণেশ চতুর্থী তিথি শুরু হয়েছে সকাল ৭টা ৬মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।
গণেশ চতুর্থীর উৎসব সাধারণত গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, আরতি এবং নানা ধরনের নৈবেদ্য নিবেদন করা হয়। গণেশকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অনেক পরিবার বাপ্পার মূর্তি বাড়িতে এনে ১০ দিন ধরে পুজো করেন। পরিবর্তনের বাঙলায় এবার বাঙালি মেতে উঠেছে গণেশ পুজোতেও।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/xAUJNJ1id8I?si=Z5NjmfY-tVnU1Hyj” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>