সুজিত বসুর গ্রেপ্তারির প্রয়োজনই ছিল না। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পর প্রায় তিন বছর পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে এমনই সওয়াল করলেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর দাবি, গ্রেপ্তারির আগে থেকেই ইডির দায়ের করা ইসিআইআর রয়েছে। ফলে এতদিন পরে হঠাৎ গ্রেপ্তারির প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন তিনি।
শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানতে চান, ‘কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?’ জবাবে সিংভি জানান, ১১ মে। এরপরই তাঁর বক্তব্য, সুজিত বসুর সঙ্গে কথিত ‘নেক্সাস’-এর যথেষ্ট প্রমাণ ইডিকেই দিতে হবে। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, মামলাটি কি অয়ন শীলের মামলার মতোই? ২৯ জনের বাইরে আর কোনও নতুন বিষয় নিয়ে তদন্ত হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন করেন বিচারপতি।
সিংভির বক্তব্য, ‘পিএমএলএ অন্য ব্যাপার।’ সিবিআইয়ের চার্জশিট এবং অতিরিক্ত চার্জশিটে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের উল্লেখ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। আইনজীবীর আরও বক্তব্য, অয়ন শীলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীকে কেন্দ্র করেই সুজিত বসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে। তখন বিচারপতি জানতে চান, ‘আপনি কি সিবিআই মামলায় অভিযুক্ত নন?’
সিংভির স্পষ্ট জবাব, ‘না।’ তাঁর দাবি, সুজিত বসুর কাছ থেকে সরাসরি কোনও টাকা উদ্ধার হয়নি। শুধুমাত্র সহ-অভিযুক্তদের বয়ানের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।