আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সেবায় ৯০ বছর পূর্ণ করল ব্রহ্মকুমারী (Brahma Kumaris)। এই মাইলফলক উদ্যাপন উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় গ্লোবাল এনলাইটেনমেন্ট রিট্রিট সেন্টারে শুরু হল চার দিনের বিশেষ উৎসব। বৃহস্পতিবার এই উৎসবের অঙ্গ হিসেবে ‘অন্তরের শান্তি… সুদৃঢ় পরিবার… বিকশিত ভারত’ শীর্ষক একটি বিশেষ উদ্যোগের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আরএন রবি।
তাঁর বক্তব্যে রাজ্যপাল জানান, শুধু বাহ্যিক উন্নয়ন নয়, ব্যক্তির অন্তরের শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তাভাবনার মাধ্যমেই সমাজে স্থায়ী বদল আনা সম্ভব। তাঁর কথায়, সমাজের মূল একক হল পরিবার। আর মূল্যবোধ-নির্ভর সুদৃঢ় পরিবারই একটি শক্তিশালী দেশ বা ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার প্রাথমিক শর্ত। সমাজ পরিবর্তনে মহিলাদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ব্রহ্মকুমারী আজ মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত আধ্যাত্মিক সংগঠনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রান্তিক ও গ্রামীণ স্তরে এই সংগঠনের কাজকেও সাধুবাদ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মকুমারীর আফ্রিকা শাখার ডিরেক্টর ব্রহ্মকুমারী বেদান্তী এবং আহমেদাবাদের মহাদেবনগরের সাব-জোন ইনচার্জ ব্রহ্মকুমারী চন্দ্রিকা। রাজযোগ ধ্যানচর্চার মাধ্যমে কী ভাবে মানসিক স্থিরতা ও আত্মোপলব্ধি সম্ভব, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
এই উদ্যোগের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতী মহিলাদের সংবর্ধনা। নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এদিন সম্মানিত হন প্রখ্যাত সাঁতারু তথা পদ্মশ্রী বুলা চৌধুরী, বিডি মেমোরিয়াল স্কুলের ডিরেক্টর সুমন সুদ, ক্যালকাটা ফাউন্ডেশনের যুগ্ম ডিরেক্টর সৌম্যা বর্মা ও মহিমা বর্মা, কাঁথা ফাউন্ডেশনের শামলু দুদেজা ও মালিকা দুদেজা, জিটো অ্যাপেক্স লেডিজ উইং-এর চেয়ারপার্সন শীতল দুগার এবং সাংবাদিক ভারতী জৈনানিকে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব।




