ক্রিকেট থেকে পুরোপুরি অবসর ঘোষণা করেছেন প্রায় এক যুগ হয়ে গেল। কিন্তু ক্রিকেটের সঙ্গে কোনও না কোনও ভাবে জড়িয়ে রাখেন নিজেকে। অন্য জগতেও তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর ক্রিকেট জীবন নিয়ে তৈরি হচ্ছে বায়োপিক, ‘দাদাগিরি’-র পর টেলিভিশন শোয়ের জগতেও আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছেন। সঙ্গে পালন করছেন বাংলার ক্রিকেটের প্রশাসন সামলানোর দায়িত্ব এবং কোচিংও। এত কিছু একসঙ্গে সামলান কী করে? কেমন চলছে তাঁর জীবন? ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন নিজের মনের কথা, অনেক অজানা কথাও।
প্রথমেই জানতে চাই ক্রিকেট ছাড়ার পর ক্রিকেটের বাইরের জীবনটা এখন কেমন উপভোগ করছেন?
সৌরভ: পুরোপুরি ক্রিকেটের বাইরের জীবন তো এখনও নয়। ব্যাট-বল নিয়ে খেলি না ঠিকই। কোনও কিছুই তো সারা জীবন থাকে না। কিন্তু ক্রিকেটের সঙ্গে এখনও যুক্ত আছি। ২০১৪ থেকে ক্রিকেট প্রশাসনে আছি। সিএবি সচিব থেকে প্রেসিডেন্ট, তার পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। এখন আবার সিএবি প্রেসিডেন্ট। সাউথ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েছি। আমরা এ বছর ফাইনালে উঠেও হেরে গিয়েছি। আইপিএলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের দায়িত্ব দিয়েছে আমাকে। আগামী দুবছর আইপিএলেও সেই দায়িত্ব পালন করব। খেলার বাইরের কাজের সঙ্গে খেলাও থাকে। দাদাগিরি করেছি দশ বছর। এবার আর ওতে নেই। এবার দেব দাদাগিরির দায়িত্ব নিচ্ছে। সে জন্য ওকে শুভেচ্ছা। এ বার আমি অন্য কিছুর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি।

Biswajit Ghoshal
আপনার বায়োপিক নিয়ে অনেক চর্চা চলছে। ডিসেম্বরেই কি মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি?
সৌরভ: না, না। ছবিটা রিলিজ হবে এপ্রিলে। ৭৫ শতাংশ শুটিং শেষ। বাকি ২৫ শতাংশ হবে ইংল্যান্ডে। লর্ডস, ওভাল, ইয়র্কশায়ার-এই সব জায়গায় শুটিং হবে সম্ভবত জুলাইয়ে। তারপর পোস্ট প্রোডাকশনে অনেক সময় লাগবে। মুক্তি পেতে পেতে এপ্রিল হয়ে যাবে।
রাজকুমার রাও আপনার চরিত্রে অভিনয় করছেন। তাঁকে নিজের চরিত্রে দেখে কেমন অনুভূতি হচ্ছে?
সৌরভ: ও তো অসাধারণ অভিনেতা। দারুন কাজ করেছে। এই ছবির গল্প তো আমারই বলা, আমারই লেখা। আমার গল্পগুলো আমার থেকে ভাল তো কেউ জানবে না। গল্প লেখা থেকে শুরু করে স্ক্রিপ্ট তৈরি, প্রতিটা দৃশ্য কী ভাবে ধরা হবে, এ সবের মধ্যেই আমি ছিলাম। শেষ পর্যন্ত ছবিটা মুক্তি পেলে আশা করি, সবারই ভাল লাগবে।
এই ছবিতে সৌরভ গাঙ্গুলির জীবনের কতটা আমরা দেখতে পাব?
সৌরভ: ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া পর্যন্ত। খেলার সময় আমার জীবন, খেলার আগের জীবন। ছবি শেষ হবে অবসর দিয়ে।

Biswajit Ghoshal
এমএস ধোনি, শচীন তেন্ডুলকরের বায়োপিক হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। আপনার কি মনে হয়, বলিউডের আপনাকে একটু পরের দিকেই মনে পড়েছে?
সৌরভ: ঠিক তা না। আমার কাছে প্রস্তাব এসেছিল পাঁচ-ছ’বছর আগেই। কিন্তু আমারই সময় হয়নি। অনেক সময় দিতে হয়। ওই সময় বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলাম। যখন এইসব শেষ হল, তখন সময় দিতে পারলাম। স্ক্রিপ্টই লিখেছি এক বছর ধরে। একটা ছবির পেছনে অনেক সময় দিতে হয়।
আরও একটা জিনিসের অপেক্ষায় আছে সবাই, বাংলা ‘বিগ বস’। বিগ বস-এর হিন্দি সংষ্করণে যে ভূমিকা সলমন খানের মতো একজন পেশাদার অভিনেতা পালন করে, এ বার বাংলায় ঠিক সেই ভূমিকায় আপনাকে দেখা যাবে। ব্যাপারটা কতটা চ্যালেঞ্জিং?
সৌরভ: সলমন খানের ভূমিকাটা এখনও দেখা হয়ে ওঠেনি আমার। এখনও তো দেরি আছে। অগাস্টের শেষ দিকে শুরু হবে। ওর পারফরম্যান্সটা আমি দেখব। যখন কেবিসি করেছিলাম, মিস্টার বচ্চনের পারফরম্যান্স অনুসরণ করেছিলাম। এ বার দেখব সলমন কীভাবে সঞ্চালনা করেছে। তবে প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব স্টাইল থাকে। দুটো মানুষ তো আর এক রকম হবে না। দেখা যাক কী হয়।
দাদাগিরির চেয়ে বিগ বস বোধহয় একটু বেশিই কঠিন। এখানে তো পুরো শো-টাই টেনে নিয়ে যেতে হয়।
সৌরভ: দাদাগিরিতেও ব্যাপারটা সেরকমই। ওখানে স্ক্রিপ্ট থাকত না। শুধুই প্রশ্ন আর সামনে অংশগ্রহনকারীরা। যে কোনও শোয়ে, একটা লেভেলের পর আর স্ক্রিপ্ট বলে কিছু থাকে না। আর যে কোনও শোয়েই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অংশগ্রহণকারীরা। তারা যত ভালো হবে, শো তত ভালো হবে।
যেমন আপনার ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা প্রত্যেকেই তুখোড় ছিল বলেই দলটাও খুব ভাল ছিল, অনেকটা কি সেরকমই?
সৌরভ: একদমই তাই। পুরোটাই টিমওয়ার্ক।

Biswajit Ghoshal
আপনার অসাধারণ কমেন্ট্রিটা খুব মিস করি আমরা। আর কি কমেন্ট্রিতে ফেরার সম্ভাবনা নেই?
সৌরভ: ওর জন্য একদম সময় পাই না। তা ছাড়া আমি এত বাইরে বাইরে ঘুরতেও চাই না। কমেন্ট্রি মানে প্রায় একজন ক্রিকেটারের জীবন যাপন করা। গাভাসকরকে দেখুন, প্রায় সারা বছরই বাইরে বাইরে থাকতে হয়। বরং আইপিএল দলগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারাটা আমার কাছে অনেক চ্যালেঞ্জিং। প্রিটোরিয়া, দিল্লি ক্যাপিটালসের পুরো দায়িত্বই আমার ওপরে। তাই কমেন্ট্রির থেকেও এই কাজটা আমার বেশি পছন্দের। কারণ, এটা আসল ক্রিকেট। এখানে হার-জিত আছে।
এই যে কোচিং-এর অ্যাসাইনমেন্টগুলো নিচ্ছেন, এগুলো কি আরও বড় কোনও জায়গায় কোচিং-এর লক্ষ্য নিয়ে?
সৌরভ: জানি না। সেটা নির্ভর করছে সুযোগের ওপর। ভারতীয় দলের কোচের জীবন তো ক্রিকেটারদেরই মতো। অতদূর এখনও ভাবিনি। আপাতত এই দুটো দলেই কাজ করি। তারপরে প্রতিটা ধাপ ধরে ধরে ভাবা যাবে।
সম্প্রতি যুবরাজ সিং-কে ব্যাটিং কোচ করে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এটা কি আপনারই সিদ্ধান্ত? আবার কি আমরা মহারাজ ও যুবরাজের জুটি দেখতে পাব?
সৌরভ: হ্যাঁ, একদমই তাই। যুবরাজ হবে ব্যাটিং কোচ, আমার অ্যাসিসট্যান্ট।আসলে যুবরাজ ব্যক্তিগত ভাবে অনেককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। যেমন, অভিষেক শর্মা, ঋষভ পন্থকে ও আলাদা করে তালিম দিয়েছে। টিমের কোচিং এখনও সে ভাবে করেনি ঠিকই। অসাধারণ দক্ষ খেলোয়াড়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য। সফল টি-২০ খেলোয়াড়। ভাল করবে আশা করি।
ঋষভ পন্থ ফিরে আসছে দিল্লি ক্যাপিটালসে। এতে কি দলের ভালো হবে?
সৌরভ: হ্যাঁ, খুব ভালো হবে। দিল্লি ক্যাপিটালসেই ও জীবনের সেরা ক্রিকেটটা খেলেছে। তাই দিল্লিতে ফেরাই ওর পক্ষে ভাল হবে।
সামনেই ইংল্যান্ড সফর ভারতীয় দলের। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দলটা কেমন হয়েছে? কেমন করবে বলে মনে হয় আপনার?
সৌরভ: খুব ভাল সিরিজ হবে। সাদা বলে ভারত দুর্দান্ত একটা দল। ইংল্যান্ডের দলটাও নতুন। ওরাও এখনও একটা নির্দিষ্ট দল তৈরি করে উঠতে পারেনি। টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ওরা খুব ক্লোজ ম্যাচে হেরেছিল। তবে ওদের দেশে ইংল্যান্ড কিন্তু বেশ বিপজ্জনক। ওরা ওদের কন্ডিশন জানে। ম্যাচ জেতানো খেলোয়াড় আছে। হ্যারি ব্রুক আছে, বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জ্যাকব বিথাল, জোফ্রা আর্চারের মতো বোলার আছে, যে ওদের ওখানকার কন্ডিশনে খুব ভাল বোলিং করবে। এ ছাড়া স্যাম কারেনের মতো অলরাউন্ডার আছে। ভারতকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। উইকেটে বল খুব ভাল সিম করবে। পাঁচটা টি-২০ আর তিনটে ওয়ানডে, খুব আকর্ষণীয় একটা সিরিজ হতে চলেছে। শীতে যখন অস্ট্রেলিয়া ভারতে আসবে পাঁচটা টেস্ট খেলতে, সেটাও খুব ভাল সিরিজ হবে।
বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের এই ওয়ানডে সিরিজে দেখা যাবে। ওঁদের অভিজ্ঞতা দলের খুব কাজে লাগবে নিশ্চয়ই, কী বলবেন?
সৌরভ: শুধু অভিজ্ঞতা কেন, ওদের দক্ষতার জন্যও ওদের দলে রাখা হয়েছে। সাদা বলের ক্রিকেটে দুজনেই এখনও দুর্দান্ত।
বিরাট, রোহিতদের টেস্ট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত কি একটু তাড়াতাড়িই হয়ে গেল বলে মনে হয় না?
সৌরভ: বিরাট কোহলি টেস্টে আরও কিছুদিন খেলতে পারত বলেই আমার মনে হয়। রোহিতের সিদ্ধান্তটা ঠিকই আছে। কেউ যদি আর খেলতে না চায়, তখন আর কীই বা করার থাকতে পারে?
আর একজনকে নিয়ে খুব চর্চা হচ্ছে, সে হল বৈভব সূর্যবংশী। ওর সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? কতদূর যাবে বলে মনে হচ্ছে?
সৌরভ: ছেলেটা অসাধারণ। ওর টেম্পারামেন্ট দারুন। এই স্তরে এই মানসিক শক্তিটা খুব জরুরি। দক্ষতা তো সবারই থাকে। তবে ওর প্রতিভা সহজাত। দেখবেন বড় বড় ম্যাচে রান করে। আইপিএল প্লে-অফে দেখুন, এলিমিনেটর (২৯ বলে ৯৭), কোয়ালিফায়ারে (৪৭ বলে ৯৬) বড় রান করেছে। এই যে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে খেলতে গেল, সেই সিরিজের ফাইনালে (১১ বলে ৫০, ২৯ বলে ৯৪) কী ব্যাটিংই না করল। সাদা বলের ক্রিকেটে ও অসাধারণ। তবে ইংল্যান্ডে ওপেন করতে নেমে ওকে পরীক্ষা দিতে হবে। বল অনেক বেশি মুভ করবে, সিমিং কন্ডিশন থাকবে। ওখানেই ওর আসল পরীক্ষা হবে। তবে আমার বিশ্বাস ওর যা প্রতিভা, তাতে ও এই পরীক্ষায় উতরে যাবে।
টেস্ট ক্রিকেটে কি বৈভবকে এখনই নামিয়ে দেওয়া উচিত হবে? আপনি নির্বাচক হলে কী করতেন?
সৌরভ: আমি জানি না ও বিহারের হয়ে রঞ্জি ট্রফি খেলে কি না, খেলে থাকলেও খুব কম খেলেছে হয়তো (১২ ইনিংসে ২০৭ রান, গড় ১৭.২৫)। আগে ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলুক কিছুদিন। এখনই সরাসরি ওকে টেস্টে নামিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের কথা যখন উঠলই, তখন জিজ্ঞেস করি, বাংলা রঞ্জি ট্রফি জিততে পারেনি প্রায় ৩৬-৩৭ বছর হয়ে গেল। আপনার রঞ্জি কেরিয়ার শুরুর বছরেই বাংলার শেষ রঞ্জি জয়। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রশ্ন কবে ফের বাংলায় আসবে রঞ্জি ট্রফি?
সৌরভ: বাংলা জাতীয় স্তরে শেষ কোনো ট্রফি জিতেছে ২০১১-য়, বিজয় হাজারে ট্রফি। আমিই তখন ক্যাপ্টেন ছিলাম। অনেকবার ফাইনালে উঠেও হেরে গিয়েছি আমরা। গত ছ-সাত বছরে দুটো রঞ্জি ট্রফি ফাইনাল খেলেছে। এ মরসুমে সারা রঞ্জি ট্রফিতে এত ভাল খেলার পরও সেমিফাইনালে একটা ইনিংসে খারাপ খেলে ছিটকে গেলাম আমরা। আসলে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ছোট ছোট মুহূর্তগুলোতেই জিততে হয়। এই যেমন সেমিফাইনালের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০-৬০ রানের লিড ছিল। ওখান থেকেই খেলাটাকে ধরা দরকার ছিল। রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে দুবার সৌরাষ্ট্রের কাছে হারল আমাদের দল। একবার নিজেদের মাঠে, একবার ওখানে গিয়ে। ২০১৯-এ যখন অরুণলাল হেড কোচ ছিলেন, তখন একবার রঞ্জি ফাইনাল হেরেছিলাম আমরা। বারবার ট্রফির কাছাকাছি গিয়েও ফিরে আসছি আমরা।
সমস্যাটা কি মানসিকতার নাকি দক্ষতা বা টেকনিকের?
সৌরভ: দুরকমই বলতে পারেন। সঠিক সময়ে দুটো ব্যাপার এক জায়গায় আসছে না। সে জন্য ভাল খেলোয়াড় আসতে হবে।
উঠে আসছে না কেন? তাদেরকে খুঁজে বের করে নিয়ে আসা যাচ্ছে না, না কী? এখন তো আপনি সিএবি প্রেসিডেন্ট। আরও ভাল জানেন বিষয়টা।
সৌরভ: এই তো সবে কয়েক মাস হল দায়িত্ব নিয়েছি। ২০১৫-য় যখন প্রেসিডেন্ট হয়েছিলাম, তখন ভিশন ২০২০ চালু করেছিলাম। সেখান থেকে আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা উঠে এসেছে। এ বার আবার ভিশন ২০২৮ শুরু হবে। অশোক দিন্দা, উৎপল চট্টোপাধ্যায়দের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গতবার আমাদের বোলিং আক্রমণ সেরা ছিল মহম্মদ শামির জন্য। গতবারই সবচেয়ে ভাল সুযোগ ছিল। দিনের শেষে খেলতে হবে তো ক্রিকেটারদেরই। আমি যখন ইন্ডিয়া ক্যাপ্টেন ছিলাম, বিভিন্ন জায়গায় জিততাম, মিস্টার ডালমিয়া একেবারেই নাক গলাতেন না। যা চাইতাম, দিয়ে দিতেন। শেষ পর্যন্ত মাঠে নেমে দ্রাবিড়, তেন্ডুলকর, লক্ষ্ণণ, সৌরভ, শেহবাগ খেলত। প্রশাসক একটা জায়গা পর্যন্ত যেতে পারে। কোচও তাই। শেষ পর্যন্ত কিন্তু করে দেখাতে হয় খেলোয়াড়দেরই। আমাদের ছেলেদেরও মাঠে কিছু করে দেখাতে হবে। তা হলেই সাফল্য আসবে।
আশা করি, আপনার প্রশাসনিক নেতৃত্বেই ফের রঞ্জি ট্রফি ফিরে আসুক বাংলার ঘরে। আপনার মূল্যবান সময়ের মধ্যে থেকে কিছুটা আমাদের দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
সৌরভ: আপনাদেরও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।




