• facebook
  • twitter
Friday, 2 January, 2026

বুথের ফুটেজ, ভিডিও আমজনতা কেন দেখতে পা‍বেন না: সুপ্রিম কোর্ট

সংশোধনীর আগে নির্বাচনী বিধির ৯৩ (২-এ) ধারায় বলা হয়েছিল, ব্যালট পেপার-সহ কয়েকটি নথি ছাড়া নির্বাচন সংক্রান্ত বাকি সব নথি আমজনতা খতিয়ে দেখতে পারবেন।

ফাইল চিত্র

বুথের ভিতরের সিসিটিভি ফুটেজ এ‍বং প্রার্থীদের ভিডিও আমজনতা দেখতে পা‍বেন না– এটি নিশ্চিত করতে গত মাসেই নির্‍বাচনী ‍বিধি সংশোধন করেছে কেন্দ্র। এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে কংগ্রেস। এই মামলায় বুধবার কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।
সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ। অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্‍বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের এজলাসে জয়রামের হয়ে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। সিংভি জানান,দাবি করা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার উপর নিয়ন্ত্রণ না আনলে ভোটারদের পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে। সিংভির বক্তব্য, কে কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা কোনও ভাবেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রকাশ্যে আসতে পারে না। আইনজী‍বীদের দা‍বি, ১৯৬১ সালের নির্বাচন ‍বিধি সংশোধন করে নির্‍বাচন কমিশনের হাতে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে।
গত মাসেই নির্বাচনী বিধি সংশোধন করেছে কেন্দ্র। সম্প্রতি হরিয়ানা বিধানসভা ভোটের সময়ের ভিডিও, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও নথির প্রতিলিপি চেয়ে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী মাহমুদ প্রাচা। সেগুলি প্রাচাকে দিতে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। তার জেরেই যে নির্বাচনী বিধি সংশোধন, তা মেনে নিয়েছেন আইন মন্ত্রক ও নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। কংগ্রেসের দাবি, এ থেকেই বোঝা যায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা দ্রুত কমছে।
 
সংশোধনীর আগে নির্বাচনী বিধির ৯৩ (২-এ) ধারায় বলা হয়েছিল, ব্যালট পেপার-সহ কয়েকটি নথি ছাড়া নির্বাচন সংক্রান্ত বাকি সব নথি আমজনতা খতিয়ে দেখতে পারবেন। কিন্তু সংশোধিত বিধি অনুসারে, ওয়েবকাস্টিং, ভিডিও ফুটেজ-সহ অন্য বেশ কিছু নথি দেখার কোনও অধিকার থাকবে না আমজনতার।
 
সিসিটিভি ফুটেজ দেখার উপর নিয়ন্ত্রণ না আনলে ভোটারদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসতে পারে, এই দাবি উড়িয়ে দেন সিব্বল ও সিংভি। এরপরই আদালত এই বিষয়ে কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছে।  

Advertisement

Advertisement